📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

উদয়ন স্কুলে এআই-বিকৃত ছবি ও হয়রানি অভিযোগে ১০ শিক্ষার্থীকে শাস্তি, শিক্ষার্থীরা দাবি করে নিরপেক্ষ তদন্ত

উদয়ন স্কুলে এআই-বিকৃত ছবি ও হয়রানি অভিযোগে ১০ শিক্ষার্থীকে শাস্তি, শিক্ষার্থীরা দাবি করে নিরপেক্ষ তদন্ত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদয়ন উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রীদের বিরুদ্ধে এআই দিয়ে ছবি বিকৃত ও যৌন হয়রানি অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবাদে ১০ শিক্ষার্থীকে আলাদা কক্ষে আটকে শাস্তি দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা দাবি করে নিরপেক্ষ তদন্ত ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত উদয়ন উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রীদের বিরুদ্ধে এআই দিয়ে ছবি বিকৃতকরণ ও যৌন হয়রানি অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের প্রতিবাদে ১০ শিক্ষার্থীকে আলাদা কক্ষে আটকে শাস্তি দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা দাবি করে, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে হওয়ায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 উদয়ন স্কুলে এআই দিয়ে ছাত্রীর ছবি বিকৃত ও অশালীন বার্তা পাঠানোর অভিযোগে ১০ শিক্ষার্থীকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে
  • 📌 শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে 'হয়রানিমুক্ত স্কুল চাই' স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করেন
  • 📌 অভিযুক্ত শিক্ষার্থী তাসনিম মুনিমের বাবা ড. মোফাজ্জল হোসেন দাবি করেন, তাঁর ছেলেকে মারধর করা হয়েছে
  • 📌 শিক্ষার্থীদের দাবি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, বরং প্রতিবাদীদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে
  • 📌 শিক্ষার্থীদের দাবি, তাদের বক্তব্য নেওয়া হলেও পরীক্ষা থেকে বিরত রাখা হয়েছে
  • 📌 শিক্ষার্থীরা দাবি করে, তাদের মুঠোফোনও নিয়ে নেওয়া হয়েছে
  • 📌 শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন
  • 📌 শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অভিযুক্তের বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন হওয়ায় কর্তৃপক্ষ পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে

📰 বিস্তারিত

উদয়ন উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এআই দিয়ে ছবি বিকৃতকরণ ও যৌন হয়রানি অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী তাসনিম মুনিম তাদের ছবি এআই দিয়ে বিকৃত করে অশালীন বার্তা পাঠিয়েছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জমায়েত করেন। তারা ‘হয়রানিমুক্ত স্কুল চাই’, ‘মেয়েদের নিরাপত্তা চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, ভুক্তভোগী ও প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধ করা, ক্লাসে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা শিক্ষার্থীদের পুনর্বহাল এবং স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী তাসনিম মুনিমের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে হওয়ায় বিদ্যালয় প্রশাসন পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সকালে তারা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জমায়েতের চেষ্টা করলে কর্তৃপক্ষ তাদের শ্রেণিকক্ষে আটকে রাখে। পরে তালা ভেঙে বেরিয়ে এসে তারা বিক্ষোভ করেন। শিক্ষার্থীদের দাবি, তাদের বক্তব্য নেওয়া হলেও পরীক্ষা থেকে বিরত রাখা হয়েছে। এছাড়া তাদের মুঠোফোনও নিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, গত ৭ অক্টোবর অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বাবা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন সহকারী প্রক্টর বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। পরদিন ১০ শিক্ষার্থীকে আলাদা কক্ষে আটকে রেখে তাদের বক্তব্য নেওয়া হয়। পরে অভিভাবকদের প্রতিবাদের মুখে তাদের আলাদা কক্ষে পরীক্ষা নেওয়া হলেও শ্রেণিকক্ষে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। এতে পূজার ছুটিসহ প্রায় ২৫ দিন তারা স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন ধরে তাদের বিরক্ত করছেন। সম্প্রতি তাঁর আপত্তিকর ছবি তৈরি করে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তারা বিব্রত ও আতঙ্কিত। আরেক শিক্ষার্থী বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী বিভিন্ন সময়ে তাদের অশালীন বার্তা পাঠিয়েছেন এবং হুমকি দিয়েছেন।

"আমরা এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত নই। স্কুল কর্তৃপক্ষই বিষয়টি দেখবে। তবে সেখানে যাতে কোনো উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে জন্য প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যদের পাঠিয়েছি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।"

— বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, উদয়ন উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থীরা (১০ জন), তাসনিম মুনিম, ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন, মুহাম্মদ আরিফুর রহমান (অধ্যক্ষ), অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ শিক্ষার্থী শাস্তি, ৩ নভেম্বর (বিক্ষোভ), ৭ অক্টোবর (প্রথম অভিযোগ), ২৫ দিন (শিক্ষা বঞ্চিত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖