📌 লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক টিফিন বিরতির সময় শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানোর অভিযোগে কেন্দ্রে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। অভিযোগে উঠেছে যে, শিক্ষক ৩০ থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থীকে ভাড়া বাসায় নিয়ে পড়াচ্ছিলেন। শিক্ষক দাবি করেছেন বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য এটি করছেন
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর জাঙ্গালিয়া কে হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে টিফিন বিরতির সময় শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে উঠেছে যে, তিনি স্কুলের নির্ধারিত বিরতির সময়ে শিক্ষার্থীদের ভাড়া বাসায় নিয়ে পড়াচ্ছিলেন। এই ঘটনাটি একটি ভিডিওর মাধ্যমে জনসমক্ষে এসেছে, যেখানে দেখা যায় দুপুর ১টা থেকে ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত বিরতির সময়ে শিক্ষক প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থীকে পড়াচ্ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর জাঙ্গালিয়া কে হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন টিফিন বিরতির সময় শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানোর অভিযোগে কেন্দ্রে আলোচনা সৃষ্টি করেছেন।
- 📌 ভিডিও প্রমাণে দেখা যায়, দুপুর ১টা থেকে ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত বিরতির সময়ে শিক্ষক ৩০ থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থীকে ভাড়া বাসায় নিয়ে পড়াচ্ছিলেন।
- 📌 শিক্ষার্থীদের বাবা বলেছেন, ‘সকালে খেয়ে না খেয়ে বাচ্চারা স্কুলে দৌড় দেয়। টিফিনের বিরতিতে খেতে বা খেলার সুযোগ নেই। অভিভাবকরা বাধ্য হয়ে মেনে নিয়েছেন এবং প্রতি শিক্ষার্থী থেকে ৫০০ টাকা নেয় শিক্ষক।’
- 📌 শিক্ষক দাবি করেছেন, বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন।
- 📌 শিক্ষক মো. রাসেল বলেছেন, ‘বিরতির সময়ে প্রাইভেট পড়ানো ঠিক নয়, তবে অভিভাবকদের অনুরোধে তিনি পড়ান।’
- 📌 উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রান্তিক সাহা জানান, শিক্ষক ইংরেজিতে ভালো হওয়ায় ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে পড়ান, তবে ভাড়া কক্ষ নিয়ে পড়ানোর বিষয়টি তিনি জানেন না।
- 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাহাত উজ জামান বলেছেন, ‘স্কুল টাইমে প্রাইভেট পড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৫৭ মিনিটে ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্কুলের টিফিন বিরতির সময়ে শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থীকে পড়াচ্ছিলেন। বিরতির সময়ে শিক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার নিয়মের বিরুদ্ধে এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, বিরতি শেষ হওয়ার পর দুপুর ২টার দিকে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে কোনো শিক্ষককে পাওয়া যায়নি।
অভিযুক্ত শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, ‘বৃত্তি পরীক্ষা থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছি। শুক্রবারেও শিক্ষার্থীদের পড়ানোর কথা ছিল।’ তিনি দাবি করেছেন যে, তিনি শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পড়াচ্ছেন, তবে অভিভাবকরা স্বেচ্ছায় অর্থ প্রদান করছেন।
অভিভাবকদের মধ্যে একজন শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, ‘সকালে খেয়ে না খেয়ে বাচ্চারা স্কুলে দৌড় দেয়। টিফিনের বিরতিতে খেতে বা খেলার সুযোগ নেই। অভিভাবকরা বাধ্য হয়ে মেনে নিয়েছেন এবং প্রতি শিক্ষার্থী থেকে ৫০০ টাকা নেয় শিক্ষক।’ শিক্ষকদের এই ধরনের কাজের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠেছে এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় নিয়মিত পাঠদানের প্রতি সচেতনতা জাগ্রত হয়েছে।
"বিরতির সময়ে প্রাইভেট পড়ানো ঠিক নয়। তবে অভিভাবকদের অনুরোধে তিনি পড়ান। দেলোয়ার ভালো শিক্ষক।"
— প্রধান শিক্ষক মো. রাসেল
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চর জাঙ্গালিয়া কে হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কমলনগর উপজেলা, লক্ষ্মীপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সহকারী শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রধান শিক্ষক মো. রাসেল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাহাত উজ জামান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রান্তিক সাহা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০-৪০ জন শিক্ষার্থী, ৫০০ টাকা প্রতি শিক্ষার্থী, ১টা থেকে ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত বিরতি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!