📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের দাবিতে ইসরায়েল: ব্রিটেনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান, রাষ্ট্রদূত বহিষ্কারের ডাক

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের দাবিতে ইসরায়েল: ব্রিটেনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান, রাষ্ট্রদূত বহিষ্কারের ডাক

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসরায়েলের দুই মন্ত্রী ব্রিটেনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের দাবি নিয়ে। তারা ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারেরও ডাক দিয়েছেন। ব্রিটিশ সরকার ফিলিস্তিনি অধিকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রস্তুত করছে, যা ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়ায় এসেছে

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব নিয়ে আর্জেন্টিনার দাবি মেনে না নেওয়ায় ব্রিটেনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন ইসরায়েলের দু’জন মন্ত্রী। তারা ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে ইসরায়েল থেকে বহিষ্কারেরও ডাক দিয়েছেন। একই সময়ে ব্রিটিশ সরকার ফিলিস্তিনি অধিকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা প্রস্তুত করছে, যা ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়ায় এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচ ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছেন এবং ব্রিটেনকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ সরকার হিসেবে অভিহিত করেছেন।
  • 📌 ইসরায়েলের নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জকে আর্জেন্টিনার অধিকৃত ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দেবার আহ্বান জানিয়েছেন এবং ব্রিটেনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ডাক দিয়েছেন।
  • 📌 বেন-গভির বলেছেন, ব্রিটেন ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জে তেল উত্তোলন করে আর্জেন্টিনার অর্থ চুরি করছে।
  • 📌 ব্রিটিশ সরকার ফিলিস্তিনি অধিকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে মঙ্গলবার বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করার পরিকল্পনা করছে।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটেনের এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করছেন, যা উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
  • 📌 ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ জন বাসিন্দা রয়েছে, যাদের অধিকাংশ ব্রিটিশ শাসনের পক্ষে।

📰 বিস্তারিত

ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচ ব্রিটেনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘আমরা কোনো ইহুদিবিদ্বেষী সরকারের পদদলিত হওয়ার মতো পাপোষ হয়ে থাকব না। এমন একটি দেশে, যা উগ্র ইসলাম দ্বারা দখল হয়ে গেছে এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে নিজেকে রক্ষা করতে ইহুদি ও ইসরায়েল রাষ্ট্রকে আক্রমণ করছে।’ তিনি আরও বলেছেন, ইসরায়েল ভূখণ্ডে ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের সমাপ্তি ঘটেছে।

ইসরায়েলের নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে স্প্যানিশ ভাষায় এক পোস্টে লিখেছেন, ‘সময় এসেছে ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রকাশ্যে স্বীকার করার যে মালভিনাস দ্বীপপুঞ্জ (ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের আর্জেন্টাইন নাম) দখল করা আর্জেন্টিনার ভূখণ্ড। ব্রিটিশরা আর্জেন্টিনার জনগণের কাছ থেকে এই ভূখণ্ড সহিংসভাবে চুরি করে রেখেছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ব্রিটেন শুধু ভূখণ্ড দখল করেই সন্তুষ্ট নয়; তারা সেখানে তেল উত্তোলনের কাজও চালাচ্ছে এবং সেই অর্থ আর্জেন্টিনার জনগণের কাছ থেকে চুরি করছে।

বেন-গভির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তিনি যেন মালভিনাস দ্বীপপুঞ্জের ওপর আর্জেন্টিনার সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেন এবং দখলদারিত্ব অব্যাহত থাকা পর্যন্ত গ্রেট ব্রিটেনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।’

ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর এ বিষয়ে মন্তব্য না করায় মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্য উভয়েই সার্বভৌমত্বের দাবি করে, তবে দ্বীপগুলোর অধিকাংশ বাসিন্দা ব্রিটিশ শাসনের পক্ষে।

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই বলেছেন, আর্জেন্টিনার জাতীয় সার্বভৌমত্ব ‘লঙ্ঘিত’ হয়েছে এবং তারা ‘যে-ই বিরক্ত হোক না কেন, দাঁতে দাঁত চেপে’ নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবে। তিনি ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের আশপাশে তেল উত্তোলনের চেষ্টা করা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার হুমকিও দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, আর্জেন্টিনা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জে হামলা চালালে তিনি ব্রিটেনকে সমর্থন নাও করতে পারেন। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সা’আর সতর্ক করে বলেছেন, ‘ব্রিটেন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে ইসরায়েলও ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।’

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে এখনো ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেননি। গতকাল সোমবার বিকেলে তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনা সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবহিত করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসন ব্রিটিশ সরকারের এই অবস্থানের ঘোর বিরোধিতা করছে বলে জানা গেছে, যা ব্রিটেন ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

‘আমরা কোনো ইহুদিবিদ্বেষী সরকারের পদদলিত হওয়ার মতো পাপোষ হয়ে থাকব না।’ — বেজালেল স্মতরিচ, ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, লন্ডন, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইতামার বেন-গভির, বেজালেল স্মতরিচ, বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, অ্যান্ডি বার্নহ্যাম, ডোনাল্ড ট্রাম্প, হাভিয়ের মিলেই
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন ইসরায়েলি মন্ত্রী, ৩ হাজার ৬০০ জন বাসিন্দা, ৩০০টি যানবাহন, ২ হাজার ৩২৩ জন যাত্রী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖