📌 জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার নাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গোয়ালঘরের পানি ও দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীরা পাঠদান থেকে বঞ্চিত। ২০৩ শিক্ষার্থী ও ৮ শিক্ষকের এই বিদ্যালয়ে ৭ বছর ধরে এই সমস্যা চলছে। ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম গোয়ালঘর সরানোর প্রতিবাদ করছেন
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার নাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গোয়ালঘরের পানি ও দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নাক চেপে বসে পড়াশোনা করছেন শিশুরা, যেখানে শ্রেণিকক্ষে গোবরমিশ্রিত পানি ঢুকে পড়ছে এবং দুর্গন্ধের পরিবেশে পাঠদান চলছে। এই সংকট ৭ বছর ধরে চলছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার নাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গোয়ালঘরের পানি ও দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে
- 📌 ২০৩ শিক্ষার্থী ও ৮ শিক্ষকের এই বিদ্যালয়ে ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত, ১৯৭২ সালে সরকারি করা হয়েছে
- 📌 ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের গোয়ালঘর থেকে বের হওয়া বর্জ্য ও পানি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়ছে
- 📌 শিক্ষক খায়রুন্নাহার বলেছেন, নোংরা পানি ও দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কাছে জবাবদিহির চাপ পড়ছে
- 📌 জাহাঙ্গীর আলম গোয়ালঘর সরানোর দাবি অস্বীকার করে বলেছেন, বিদ্যালয়ের জমি তার বংশের লোকজনের দখলে রয়েছে
- 📌 উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফরহাদ আলী তদন্তের কথা বলেছেন
📰 বিস্তারিত
গত মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গিয়েছিল, পুরোনো ভবনের পশ্চিম পাশে গোয়ালঘরটি দেয়াল ঘেঁষে অবস্থান করছে। এই গোয়ালঘর থেকে বের হওয়া গোবরমিশ্রিত পানি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়ছে। শিক্ষক খায়রুন্নাহার জানিয়েছেন, এই দুর্গন্ধ ও নোংরা পানির কারণে শিক্ষার্থীরা পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেছেন, ‘এই পরিস্থিতির কারণে আমাদের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কাছে জবাবদিহির চাপ পড়ছে।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম জানিয়েছেন, গোয়ালঘর সরানোর জন্য জাহাঙ্গীর আলমকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকেও জানানো হয়েছে, কিন্তু এখনো সমাধান হয়নি।
ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম গোয়ালঘর সরানোর দাবি অস্বীকার করে বলেছেন, ‘আমার গোয়ালঘর থেকে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে কোনো পানি প্রবেশ করে না। বিদ্যালয়ের অনেক জমি আমাদের বংশের লোকজনের। বরং আমার গোয়ালঘর নিয়েই সবার আপত্তি। বিদ্যালয়ের দখলে আমার জমি রয়েছে, যা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাকে বুঝিয়ে দিচ্ছে না।’
মেলান্দহ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ফরহাদ আলী জানিয়েছেন, বিষয়টি তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি বলেছেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"আমার গোয়ালঘর থেকে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে কোনো পানি প্রবেশ করে না। বিদ্যালয়ের অনেক জমি আমাদের বংশের লোকজনের। বরং আমার গোয়ালঘর নিয়েই সবার আপত্তি। বিদ্যালয়ের দখলে আমার জমি রয়েছে, যা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাকে বুঝিয়ে দিচ্ছে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মেলান্দহ উপজেলা, জামালপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জাহাঙ্গীর আলম, আবুল কালাম, খায়রুন্নাহার, ফরহাদ আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০৩ শিক্ষার্থী, ৮ শিক্ষক, ৫৪ শতক জমি, ৮ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!