📌 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিং অভিযোগে তদন্তে অব্যাহতির পরও দুই শিক্ষার্থীকে ভুল নোটিশে ৮০ হাজার টাকার জরিমানা করার চেষ্টা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, তাদের সামাজিক ও একাডেমিক জীবনে ক্ষতি হয়েছে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) প্রশাসনের একটি ভুল নোটিশে দুই শিক্ষার্থীকে র্যাগিং অভিযোগে ৮০ হাজার টাকার জরিমানা করার চেষ্টা করেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা দাবি করেছেন, তাদের সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছে এবং একাডেমিক জীবনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫৪ ব্যাচের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ মাহমুদুল হাসান খান আকিব ও মোঃ মাহমুদুল আমিন সিয়াম র্যাগিং অভিযোগে তদন্তে অব্যাহতির পরও জরিমানার মুখে পড়েছেন।
- 📌 ২০ জুলাই রাত ১০টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত ৫৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে র্যাগিং অভিযোগে ৫৪ ব্যাচের ৮ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল।
- 📌 তদন্তে অব্যাহতির পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশোধিত আদেশে তাদের নাম বাদ দেওয়া হলেও, ১৬ সেপ্টেম্বর একটি ভুল নোটিশে আবারও তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করে ৮০ হাজার টাকার জরিমানা করার চেষ্টা করা হয়।
- 📌 ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সিয়াম বলেছেন, অভিযোগের কারণে তাদের একাডেমিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে এবং অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধেও জবাবদিহি নিশ্চিত করা উচিত।
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এম আজিজুর রহমান জানান, ভুলে তাদের নাম নোটিশে চলে আসার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং পুনরায় সংশোধিত করে তাদের নাম বাদ দিয়ে জরিমানার আদেশ প্রকাশ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে র্যাগিং অভিযোগের ঘটনায় দুটি শিক্ষার্থীকে জরিমানার মুখে পড়তে হয়েছে। ৫৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী মোঃ মাহমুদুল হাসান খান আকিব ও মোঃ মাহমুদুল আমিন সিয়াম র্যাগিং অভিযোগে তদন্তে অব্যাহতির পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদেরকে ৮০ হাজার টাকার জরিমানার নোটিশ দিয়েছে।
গত ২০ জুলাই রাত ১০টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত ৫৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে র্যাগিং অভিযোগে ৫৪ ব্যাচের ৮ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল। এর মধ্যে আকিব ও সিয়ামের নামও ছিল। পরবর্তীতে তদন্তে তাদের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও, ১৬ সেপ্টেম্বর একটি ভুল নোটিশে আবারও তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করে জরিমানার আদেশ জারি করা হয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সিয়াম বলেছেন, “ভিত্তিহীন অভিযোগের কারণে আমাদের প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি পাওয়ার আগ পর্যন্ত একাডেমিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে হয়েছে। তদন্তে অব্যাহতির পরও আমাদের নাম জরিমানার নোটিশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ভুলের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও অভিযোগকারীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা উচিত। আমরা সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এবং একাডেমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এম আজিজুর রহমান জানান, “অভিযোগের ভিত্তিতে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তদন্তে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হলেও, ভুলে তাদের নাম নোটিশে চলে আসার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এখন পুনরায় সংশোধিত করে তাদের নাম বাদ দিয়ে জরিমানার আদেশ প্রকাশ করা হয়েছে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো জাকির হোসেন জানান, “আমি এই বিষয়ে সম্পূর্ণ অবগত নই। সম্ভবত পূর্বের অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের নাম ভুলে চলে গেছে। এইরকম ভুল কখনোই কাম্য নয়।”
"ভিত্তিহীন অভিযোগের কারণে আমাদের একাডেমিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধেও জবাবদিহি নিশ্চিত করা উচিত।"
"অভিযোগের ভিত্তিতে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তদন্তে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হলেও, ভুলে তাদের নাম নোটিশে চলে আসার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোঃ মাহমুদুল হাসান খান আকিব, মোঃ মাহমুদুল আমিন সিয়াম, ড. এম আজিজুর রহমান, মো জাকির হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ হাজার টাকা (জরিমানা), ৫৪ ব্যাচ, ৫৫ ব্যাচ, ২০ জুলাই, ১৬ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!