📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এসএসসি পাসের হার ৬২% হলেও একাদশে ভর্তিতে ফাঁকা আসনের দুরন্ত পরিস্থিতি: শিক্ষা বোর্ডের সত্য

এসএসসি পাসের হার ৬২% হলেও একাদশে ভর্তিতে ফাঁকা আসনের দুরন্ত পরিস্থিতি: শিক্ষা বোর্ডের সত্য

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মোট আসন ২৫ লাখের বেশি হলেও আবেদন করেছেন মাত্র ১০ লাখ শিক্ষার্থী। রাজশাহী ও বরিশাল বোর্ডে শুধু ৩০% শিক্ষার্থী আবেদন করেছে মোট আসনের। শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেছেন রাজনৈতিক বিবেচনায় অসংখ্য কলেজের অনুমোদন দেওয়ার ফলে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় অদ্ভুত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মোট আসন সংখ্যা ২৫ লাখেরও বেশি হলেও আবেদন করেছেন মাত্র ১০ লাখের মতো শিক্ষার্থী। অর্থাৎ, মোট আসনের অর্ধেকেরও বেশি আসন ফাঁকা থাকবে। এই সংকটের মূল কারণ হিসেবে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান রাজনৈতিক বিবেচনায় কলেজের অনুমোদন বৃদ্ধির অভিযোগ তুলেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৫ লাখেরও বেশি আসন থাকলেও মাত্র ১০ লাখ শিক্ষার্থী আবেদন করেছে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য
  • 📌 রাজশাহী বোর্ডে ৩ লাখের বেশি আসন থাকলেও ৯৩ হাজার শিক্ষার্থী মাত্র আবেদন করেছে
  • 📌 বরিশাল বোর্ডে মোট আসন ১.৫ লাখেরও বেশি হলেও ৪৪ হাজার ৫৫৫ জন শিক্ষার্থী পাশ করেছে
  • 📌 ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ৫৮.৭% আসন ফাঁকা থাকবে
  • 📌 এসএসসি পরীক্ষায় মোট অংশগ্রহণকারী ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন হলেও পাস করেছেন মাত্র ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন (৬২.২৫% পাসের হার)
  • 📌 বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় অসংখ্য কলেজের অনুমোদন দেওয়ার ফলে শিক্ষকদের অনিশ্চয়তা এবং সরকারি অর্থের অপচয় বাড়ছে
  • 📌 শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রভাব খাটিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠানের আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি বিরূপ পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মোট আসন সংখ্যা ২৫ লাখেরও বেশি হলেও শিক্ষার্থীদের আবেদন সংখ্যা মাত্র ১০ লাখের মতো। এই তথ্য প্রকাশ করেছে শিক্ষা বোর্ড। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কলেজগুলোতে একাদশ শ্রেণিতে মোট আসন সংখ্যা ৩ লাখেরও বেশি হলেও প্রথম দফায় মাত্র ৯৩ হাজার শিক্ষার্থী আবেদন করেছে। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে একাদশ শ্রেণিতে মোট আসন সংখ্যা ১.৫ লাখেরও বেশি হলেও এবছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাশ করেছেন মাত্র ৪৪ হাজার ৫৫৫ জন শিক্ষার্থী। অর্থাৎ, এই দুই বোর্ডে একাদশ শ্রেণিতে আবেদন করার মতো যোগ্য শিক্ষার্থীর সংখ্যাই মোট আসনের তিন ভাগের এক ভাগও নয়।

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের প্রথম পর্যায়ের ফল প্রকাশের পর থেকেই এই সংকট নিয়ে আলোচনা চলছে। এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন, কিন্তু পাস করেছেন মাত্র ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। অর্থাৎ, পাসের হার মাত্র ৬২.২৫ শতাংশ। এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে কেন এবং এর ফলে কী সংকট অপেক্ষা করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত শিক্ষাবর্ষে চার দফায় আবেদনের সুযোগ দিয়েও মাত্র ৫৮.৭ শতাংশ আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিল। অর্থাৎ, প্রায় ১০ লাখের বেশি আসন খালি ছিল। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনা মহামারি পরবর্তী সময় থেকেই বাংলাদেশে একাদশ শ্রেণিতে আসন ফাঁকা থাকার ঘটনা ঘটছে। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, "প্রয়োজন নেই জানার পরও অনেক এলাকায় রাজনৈতিক বিবেচনায় অসংখ্য কলেজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে একদিকে শিক্ষকরা সংকটে পড়ছেন অন্যদিকে সরকারি অর্থের অপচয়ও বাড়ছে।"

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়ম অনুযায়ী, যেসব প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে দীর্ঘ সময় ধরে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী ভর্তি হয় না বা অনুমোদিত আসনের তুলনায় অর্ধেকের কম শিক্ষার্থী ভর্তি হয়, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। তবে বর্তমানে এই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

"কলেজে শিক্ষার্থী না থাকলে শিক্ষকদের জন্যও অনিশ্চয়তা। এমপিও না থাকলে শিক্ষকদের চিন্তা, আর যদি এমপিও থাকে তাহলে কোটি কোটি টাকা সরকারের অপচয়,

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আরও বলেছেন, "এবার এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার শূন্য ছিল এমন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরতদের ডাকিয়েছি, কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি, সামনের বছর পাশের হার না বাড়লে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমন অঙ্গীকারনামা নিয়েছি। কলেজে শূন্য ভর্তি বা কম শিক্ষার্থী পাওয়া প্রতিষ্ঠানকেও ডাকবো।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী, বরিশাল, বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম (বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ লাখ (মোট আসন), ১০ লাখ (আবেদনকারী), ৯৩ হাজার (রাজশাহী বোর্ডে আবেদনকারী), ৪৪ হাজার ৫৫৫ জন (বরিশাল বোর্ডে পাসকারী), ৬২.২৫% (পাসের হার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖