📌 আইএসইউ (ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি) টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে শিক্ষার্থীদের জন্য ৩০টি প্রতিষ্ঠানের ইন্টার্নশিপ ও চাকরির ব্যবস্থা করেছে। শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল খান বলেছেন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সংযোগ গড়ে তোলার জন্য বেসরকারি উদ্যোগের গুরুত্ব রয়েছে
ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ) টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে শিক্ষার্থীদের জন্য চাকরির সুযোগ বাড়িয়ে দিচ্ছে। দেশের শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ১৯টি টেক্সটাইল শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নিতে পাচ্ছেন। এছাড়াও ৩০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ ও চাকরির ব্যবস্থা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **আইএসইউ** প্রতিষ্ঠা: ২০১৮ সালের ৩ জুন স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের উদ্যোগে
- 📌 **টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে** ১৯টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ
- 📌 **৩০টি প্রতিষ্ঠানে** ইন্টার্নশিপ ও চাকরির ব্যবস্থা
- 📌 **৫টি অনুষদের** অধীনে ৮টি বিভাগ চালু
- 📌 **১৪ ধরনের স্কলারশিপ ও টিউশন ফি ওয়েভার** মেধা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে
📰 বিস্তারিত
বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল খান বলেছেন, ‘শিক্ষাজীবন শেষে চাকরি পাওয়া প্রতিটি পরিবারের অপরিহার্য চাওয়া। কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগও দরকার। স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপ উচ্চশিক্ষার সঙ্গে নিজেদের প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগও করে দিচ্ছে।’
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল কাসেম জানান, ‘টেক্সটাইল-শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। দক্ষ জনবল গড়তে আধুনিক শিক্ষা ও গবেষণার বিকল্প নেই। আমরা শিল্পের চাহিদা মেনে পাঠক্রম সাজিয়েছি, আছে আধুনিক ল্যাবরেটরি ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের সুযোগ।’
শিক্ষার্থী আফসানা আক্তার মিম বলেন, ‘চমৎকার পড়াশোনার পরিবেশ, সুদক্ষ শিক্ষক, আধুনিক ল্যাব এবং সমৃদ্ধ লাইব্রেরির অপূর্ব সমাবেশ আমাদের এই বিভাগ। প্রতি সেমিস্টারেই নামকরা টেক্সটাইল ফ্যাক্টরিতে ভিজিটের ব্যবস্থা থাকে। নিয়মিত সেমিনার ও ওয়ার্কশপে আসেন শিল্পের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। তাঁদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা শুনে আমরা তাত্ত্বিকভাবে মজবুত হচ্ছি এবং শিল্পের বর্তমান অবস্থা ও বাংলাদেশে এর সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারছি।’
ক্যাম্পাসটি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত, সিসিটিভি, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরসহ ক্লাসরুম ও ওয়াই-ফাই সুবিধাসম্পন্ন। লাইব্রেরিতে প্রচুর বই, ই-বুক ও জার্নাল রয়েছে। নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা হয়েছে মেয়েদের জন্য এবং ছেলে ও মেয়েদের জন্য আলাদা হোস্টেল রয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫টি অনুষদের অধীনে ৮টি বিভাগ চালু আছে, যার মধ্যে রয়েছে ব্যবসায় শিক্ষা, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি, হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস এবং অ্যাডভান্সড সায়েন্স অ্যান্ড কম্পিউটিং।
"শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সংযোগ গড়ে তোলার জন্য বেসরকারি উদ্যোগের গুরুত্ব রয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপ উচ্চশিক্ষার সঙ্গে নিজেদের প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগও করে দিচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল খান, মোহাম্মদ আবুল কাসেম, আফসানা আক্তার মিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০টি প্রতিষ্ঠান (ইন্টার্নশিপ ও চাকরি), ১৯টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান (হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ), ১৪ ধরনের স্কলারশিপ, ৫টি অনুষদ, ৮টি বিভাগ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!