📌 বান্দরবানের ঐতিহাসিক রাজার মাঠে অনুষ্ঠিত 'মাহা ওয়াগ্যোয়াই পোয়েঃ ২০২৬' উৎসবের উদ্বোধনে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় বলেছেন, বাংলাদেশের বৈচিত্র্য ও ঐক্যবদ্ধতা দেশের মূল শক্তি। পার্বত্য ও সমতল অঞ্চলের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের বার্তা তুলে ধরেন তিনি
বান্দরবানের ঐতিহাসিক রাজার মাঠে অনুষ্ঠিত 'মাহা ওয়াগ্যোয়াই পোয়েঃ ২০২৬' উৎসবের উদ্বোধনকালে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় জাতিসত্তা ও ঐতিহ্যকে দেশের প্রধান শক্তি হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেছেন, পাহাড় ও সমতলের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা ছাড়া বাংলাদেশের ঐক্যবদ্ধতা অসম্ভব।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় বলেছেন, বাংলাদেশের বৈচিত্র্য ও ঐতিহ্য জাতীয় পরিচয়ের মূল শক্তি
- 📌 'মাহা ওয়াগ্যোয়াই পোয়েঃ ২০২৬' উৎসবের উদ্বোধনে বলেন, জাতি, ধর্ম বা বর্ণের ভিত্তিতে কোনো বিভেদ তৈরি করা যাবে না
- 📌 পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী বলেছেন, পাহাড়ি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে সংস্কৃতিমন্ত্রণালয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামের ৬৯ পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলামসহ স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব
- 📌 সরকারের লক্ষ্য: 'রেইনবো নেশন'-এর ধারণা বাস্তবায়ন করে পাহাড় ও সমতলের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করা
📰 বিস্তারিত
রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে বান্দরবান পৌরসভার উৎসব উদযাপন পরিষদ আয়োজিত ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদ্বোধনকালে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের বহুমাত্রিক সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য জাতীয় পরিচয়ের মূল শক্তি। তিনি বলেন, 'আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি দিন আজ। এখানে এসে বাংলাদেশের প্রকৃত সত্তা, রূপ ও বহুমাত্রিক ঐতিহ্যকে নতুনভাবে উপলব্ধি করেছি।'
বক্তব্যে তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, তরুণসমাজ ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। সংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী, সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং প্রত্যেকেরই মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি উল্লেখ করেন, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, শিল্প ও মাতৃভাষা সংরক্ষণে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন মানেই সমগ্র বাংলাদেশের উন্নয়ন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান রিজিয়ন কমান্ডার ও ৬৯ পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলামসহ জেলা প্রশাসক নাজনীন সুলতানা, পুলিশ সুপার ও স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তারা।
"পাহাড় ও সমতলকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। সবাইকে নিয়েই বাংলাদেশ। সব নাগরিকের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করে অভিন্ন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বান্দরবান, রাজার মাঠ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!