📅 ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চিকিৎসাশিক্ষায় নারীদের ৬৩% অংশগ্রহণ: ডেন্টাল ও নার্সিংে ৯০% ছাত্রী

চিকিৎসাশিক্ষায় নারীদের ৬৩% অংশগ্রহণ: ডেন্টাল ও নার্সিংে ৯০% ছাত্রী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চিকিৎসাশিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে ৬৩ শতাংশে। ডেন্টাল ও নার্সিং শিক্ষায় ছাত্রীদের হার ৯০ শতাংশেরও বেশি। তবে সরকারি চাকরিতে নারী চিকিৎসকদের অংশগ্রহণ এখনো পুরুষের তুলনায় কম

চিকিৎসাশিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটেছে। সরকারি ও বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলিতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নারীদের হার এখন ৬৩ শতাংশেরও বেশি। ডেন্টাল ও নার্সিং শিক্ষায় ছাত্রীদের সংখ্যা আরও বেশি, যেখানে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের প্রায় ৯০ শতাংশই নারী। তবে কর্মক্ষেত্রে, বিশেষ করে সরকারি চাকরিতে নারী চিকিৎসকদের অংশগ্রহণ এখনো পুরুষের তুলনায় কম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশের ১০৯টি মেডিক্যাল কলেজে ৫১ হাজার ৩১৩ শিক্ষার্থী ভর্তি, তাদের মধ্যে ৬২ দশমিক ৭৯ শতাংশ ছাত্রী
  • 📌 সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ছাত্রীদের হার ৬১ দশমিক ৫৭ শতাংশ, বেসরকারি কলেজে ৬৩ দশমিক ৬০ শতাংশ
  • 📌 ডেন্টাল শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের ৬০ দশমিক ৮৫ শতাংশ নারী, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষায় ৯০ শতাংশ ছাত্রী
  • 📌 ৩৯তম বিসিএসে ৬ হাজার ৭৯২ চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশে পুরুষ ৫৩ শতাংশ, নারী ৪৭ শতাংশ
  • 📌 ২০০৯-২০১৮ সালের মধ্যে এমবিবিএস পাসকারীদের ৫৫ শতাংশ নারী

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশে চিকিৎসাশিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) প্রকাশিত বাংলাদেশ শিক্ষা পরিসংখ্যান-২০২৫ প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৫ সালে দেশের ১০৯টি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হওয়া মোট শিক্ষার্থীর ৬২ দশমিক ৭৯ শতাংশই নারী। সরকারি ৩৭টি মেডিক্যাল কলেজে ছাত্রীদের হার ৬১ দশমিক ৫৭ শতাংশ, অন্যদিকে বেসরকারি ৭২টি কলেজে ছাত্রীদের হার ৬৩ দশমিক ৬০ শতাংশ।

ডেন্টাল শিক্ষায়ও নারীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য। দেশের ৩৫টি ডেন্টাল কলেজে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬০ দশমিক ৮৫ শতাংশ নারী। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষায় ছাত্রীদের সংখ্যা আরও বেশি—৪৭৫টি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রায় ৯০ শতাংশই নারী।

তবে কর্মক্ষেত্রে নারী চিকিৎসকদের অংশগ্রহণ এখনো পুরুষের তুলনায় কম। ৩৯তম (বিশেষ) বিসিএসে ৬ হাজার ৭৯২ জন চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছিল, যেখানে পুরুষ ৫৩ শতাংশ এবং নারী ৪৭ শতাংশ। আবেদনকারীদের মধ্যে নারীর অংশ ছিল ৫৬ শতাংশেরও বেশি। একই চিত্র দেখা যায় ৪২তম বিসিএসে, যেখানে ৪ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশে পুরুষের হার ৫১ শতাংশ এবং নারীর ৪৯ শতাংশ।

শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে নারীদের অগ্রগতি চিকিৎসাশিক্ষায়ও প্রতিফলিত হচ্ছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে এই ধারাবাহিকতা সমানভাবে থাকছে না। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজের বাইরে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীদের হার ৪০ শতাংশের নিচে।

"চিকিৎসাশিক্ষায় নারীদের এগিয়ে থাকার প্রবণতা একেবারে নতুন নয়। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে মেডিক্যালে ভর্তি ও এমবিবিএস পাস করা চিকিৎসকদের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ওই ১০ বছরে মোট ৪৮ হাজার ৭৭৭ জন এমবিবিএস পাস করেন, যার মধ্যে ২৬ হাজার ৯০১ জন নারী—মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর প্রায় ৫৫ শতাংশ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সরকারি ও বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ, নার্সিং ইনস্টিটিউট)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থীরা (নারী ও পুরুষ), চিকিৎসকদের, নার্সিং শিক্ষার্থীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৩ শতাংশ (মেডিক্যাল শিক্ষার্থী), ৯০ শতাংশ (নার্সিং শিক্ষার্থী), ৫১ হাজার ৩১৩ জন (মেডিক্যাল শিক্ষার্থী), ৬২ দশমিক ৭৯ শতাংশ (মেডিক্যাল ছাত্রী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖