📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৬৮ অস্থায়ী কর্মচারীর বেতন বন্ধ: ইউজিসির নির্দেশে ছাঁটাই

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৬৮ অস্থায়ী কর্মচারীর বেতন বন্ধ: ইউজিসির নির্দেশে ছাঁটাই

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২৬৮ অস্থায়ী কর্মচারীর বেতন বন্ধ করা হয়েছে ইউজিসির নির্দেশে। তাদের মধ্যে ৬২ জন থোক বরাদ্দে, ২০০ জন দৈনিক মজুরিতে কাজ করছিলেন। কর্মচারীরা দাবি করে, ইউজিসির আগের নির্দেশনা পূরণ করা হয়নি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ২৬৮ জন অস্থায়ী কর্মচারীর বেতন বন্ধ করে দিয়েছে ইউজিসির নির্দেশে। বুধবার (৫ নভেম্বর) উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই কর্মচারীদের মধ্যে কেউ থোক বরাদ্দে, কেউ দৈনিক মজুরিতে এবং কেউ পোষ্য কোটায় অস্থায়ীভাবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। দীর্ঘদিন কাজ করার পরও তাদের চাকরি স্থায়ী হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬৮ জন অস্থায়ী কর্মচারীর বেতন বন্ধ করা হয়েছে ইউজিসির নির্দেশে
  • 📌 তাদের মধ্যে ৬২ জন থোক বরাদ্দে, ২০০ জন দৈনিক মজুরিতে কাজ করছিলেন
  • 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি মাসে তাদের বেতন বাবদ ২১ লাখ টাকা ব্যয় হতো
  • 📌 ৫৬ জন কর্মচারী হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে
  • 📌 কর্মচারী ইমতিয়াজ আহমেদ অন্তু বলেছেন, ১০ থেকে ২০ বছর কাজ করার পর ছাঁটাই করা হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২৬৮ জন অস্থায়ী কর্মচারীর বেতন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ইউজিসির নির্দেশনা অনুসরণে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান জানিয়েছেন, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে তাদের বেতন বন্ধ করা হয়েছে। কর্মচারীদের মধ্যে ৬২ জন থোক বরাদ্দে এবং প্রায় ২০০ জন দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ করছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ইউজিসির বিশেষ বরাদ্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে এ পর্যন্ত তাদের বেতন দেওয়া হতো। তবে অর্থসংকটের কারণে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়কে ঋণ নিয়ে তাদের বেতন দিতে হচ্ছে।

কর্মচারীদের দাবি, ইউজিসির আগের নির্দেশনা পূরণ করা হয়নি। তারা বলছেন, প্রতিবছরই ইউজিসি এ ধরনের নির্দেশনা দিলেও বিগত প্রশাসনগুলো তাদের বেতন বন্ধ করেনি। কর্মচারী ইমতিয়াজ আহমেদ অন্তু বলেছেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ থেকে ২০ বছর কাজ করার পর হঠাৎ ছাঁটাই করা হচ্ছে। আমরা এখন কোথায় যাব, কী করব, কী পরিচয় দেব? পরিবার নিয়ে এখন আত্মহত্যা ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই।”

উপাচার্য ড. মতিনুর রহমান বলেছেন, ইউজিসির নির্দেশনা অনুসরণে সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, সরকার বা ইউজিসি থেকে অর্থ না পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় তাদের বেতন বহন করতে পারছে না। তবে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বিগত তিন মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হবে।

"প্রতিবছরই ইউজিসি এ ধরনের চিঠি দিলেও বিগত প্রশাসনগুলো আমাদের বাদ দেয়নি। এবার কেন বেতন বন্ধ করা হয়েছে?"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান, কর্মচারী ইমতিয়াজ আহমেদ অন্তু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬৮ জন অস্থায়ী কর্মচারী, ৬২ জন থোক বরাদ্দে, ২০০ জন দৈনিক মজুরিতে, ২১ লাখ টাকা মাসিক ব্যয়, ৫৬ জন রিট দায়ের

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖