📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৩৬ বছরে এইচএসসি পাসের হার: করোনা থেকে ১০০% পাসের রেকর্ড থেকে ২০২৫ সালে নেমে ৫৭%

৩৬ বছরে এইচএসসি পাসের হার: করোনা থেকে ১০০% পাসের রেকর্ড থেকে ২০২৫ সালে নেমে ৫৭%

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৩৬ বছরের এইচএসসি ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হার ২৪.৭৭% থেকে ১০০% পর্যন্ত ওঠানামা করেছে। ২০২৫ সালে পাসের হার নেমে দাঁড়ায় ৫৭.১২%। শিক্ষাবিদদের মতে, মূল্যায়ন পদ্ধতি ও প্রশ্নের ধরন ফলাফলে প্রভাব ফেলে

আগামীকাল শনিবার, ৩১ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পূর্বে গত ৩৬ বছরের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হারে বড় ধরনের ওঠানামা হয়েছে। ১৯৯৬ সালে সর্বনিম্ন ২৪.৭৭% পাসের হার থেকে ২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে পরীক্ষা ছাড়াই সব পরীক্ষার্থীকে পাস ঘোষণা করা হয়, যার ফলে পাসের হার ১০০% হয়। গত বছর ২০২৫ সালে পাসের হার নেমে আসে ৫৭.১২% থেকে, যা ২০০৫ সালের পর সর্বনিম্ন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩৬ বছরের এইচএসসি ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বনিম্ন পাসের হার ১৯৯৬ সালে ২৪.৭৭% এবং সর্বোচ্চ ২০২০ সালে ১০০%
  • 📌 ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৭৫.৫৬% কিন্তু ২০২৫ সালে তা কমে ৫৭.১২% হয় — এক বছরে প্রায় ১৮ শতাংশীয় পয়েন্টের পতন
  • 📌 ২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে পরীক্ষা ছাড়াই সব পরীক্ষার্থীকে পাস ঘোষণা করা হয়
  • 📌 ২০২৫ সালের ফলাফলে ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে বেশি অকৃতকার্য হওয়ায় পাসের হার প্রভাবিত হয়েছে
  • 📌 এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬ সালে ২ জুলাই থেকে শুরু হয়, মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ পরীক্ষার্থী অংশ নেন

📰 বিস্তারিত

গত ৩৬ বছরের এইচএসসি ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। ১৯৯০ সালে পাসের হার ছিল মাত্র ২৯.৭০%। পরের বছরগুলোতে তা বেড়ে ১৯৯১ সালে ৫১% এবং ১৯৯২ সালে ৬৫% ছাড়িয়ে যায়। তবে ১৯৯৬ সালে আবার পাসের হার নেমে আসে ২৪.৭৭%। এরপর ২০০৫ সালে পাসের হার বেড়ে ৫৯.১৬% হয় এবং পরবর্তী বছরগুলোতে ধীরে ধীরে তা বাড়তে থাকে।

২০০৬ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত পাসের হার ৬০ থেকে ৭৬% এর মধ্যে ওঠানামা করে। তবে ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৭৫.৫৬%। কিন্তু ২০২৫ সালে তা কমে ৫৭.১২% হয় — এক বছরে প্রায় ১৮ শতাংশীয় পয়েন্টের পতন। শিক্ষাবিদদের মতে, মূল্যায়ন পদ্ধতি, প্রশ্নের ধরন এবং শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির উপর নির্ভর করে পাসের হার পরিবর্তিত হয়।

অন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান বলেন, “বছর দুয়েক ধরে নীতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। তবে প্রকৃত মেধার ভিত্তিতে মূল্যায়নের ধারা অব্যাহত থাকলে পর্যায়ক্রমে পাসের হার বাড়বে।”

"বছর দুয়েক ধরে নীতিতে পরিবর্তন আনার কারণেও ফলাফলে প্রভাব পড়েছে। তবে প্রকৃত মেধার ভিত্তিতে মূল্যায়নের ধারা অব্যাহত থাকলে পর্যায়ক্রমে পাসের হার বাড়বে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (শিক্ষা বোর্ডের তথ্য)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান (অন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬ বছর (বিশ্লেষণকাল), ১০০% (২০২০ সালের পাসের হার), ৫৭.১২% (২০২৫ সালের পাসের হার), ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ (২০২৬ সালের পরীক্ষার্থী সংখ্যা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖