📌 এআই-নির্ভর ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষার্থীরা নিজস্ব উদ্যোগে দক্ষতা অর্জন করছেন। রাজশাহী, ঢাকা ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং, গবেষণা, সৃজনশীলতা এবং দায়িত্বশীল প্রযুক্তি ব্যবহার শেখার পাশাপাশি ফ্রি কোর্স ও এআই টুল ব্যবহার করে নিজেকে প্রস্তুত করছেন
এআই-নির্ভর পৃথিবীতে নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য শিক্ষার্থীরা শুধু শিক্ষক বা সিলেবাসের উপর নির্ভর করছেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজস্ব উদ্যোগে প্রযুক্তি, গবেষণা এবং সৃজনশীল দক্ষতা বিকাশের পথে অগ্রসর হচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা কীভাবে এআইয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতা না করে বন্ধুত্ব করে কাজে লাগাচ্ছেন, তা জানতে চেয়েছেন আমরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ্রিন ইসলাম** ইউটিউবের ফ্রি কোর্স এবং নোটবুকএলএম, পারপ্লেক্সিটি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং ও গবেষণার দক্ষতা বিকাশ করছেন।
- 📌 **ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নুর হোসাইন** এআই টুল চ্যাটজিপিটি ও জেমিনাই ব্যবহার করে ফিল্ম স্টুডেন্ট হিসেবে স্টোরিবোর্ড তৈরি ও প্রি-ভিজ্যুয়ালাইজেশন শিখছেন।
- 📌 **নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির মাইশা মুশতাক** বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি প্রকল্পে কাজ করছেন এবং এআই টুল ব্যবহার করে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকাশ করছেন।
- 📌 **বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের তাসফিয়া তারাননুম** সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির দক্ষতা বিকাশের পাশাপাশি এআইয়ের তথ্য যাচাই ও সমালোচনামূলক চিন্তা শেখার চেষ্টা করছেন।
- 📌 **শিক্ষার্থীরা মনে করেন**, আগামী পাঁচ বছরে এআই কর্মক্ষেত্রের চিত্র বদলে যাবে, কিন্তু মানুষের সৃজনশীলতা, নৈতিক বিচারবোধ ও বাস্তব অভিজ্ঞতার গুরুত্ব থাকবে।
📰 বিস্তারিত
এআই-নির্ভর ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা নিজস্ব উদ্যোগ নিচ্ছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শাহ্রিন ইসলাম বলেছেন, এআইয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতা নয়, বরং বন্ধুত্ব করে কাজে লাগাতে হবে। তিনি ইউটিউবে বিভিন্ন ফ্রি কোর্সের মাধ্যমে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং শেখার পরিকল্পনা করেছেন। পাশাপাশি নোটবুকএলএম, পারপ্লেক্সিটি ও জেস্টোরের মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে গবেষণার দক্ষতা বাড়াচ্ছেন। কারণ, এআই তথ্য দিতে পারে, কিন্তু তা যাচাই ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করতে মানুষের নিজস্ব জ্ঞান ও বিচারবোধ প্রয়োজন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের শিক্ষার্থী নুর হোসাইন বলেছেন, তিনি এআইকে কাজে লাগিয়ে কনটেন্ট তৈরি, তথ্য বিশ্লেষণ ও গল্প বলার নতুন পদ্ধতি শিখছেন। চ্যাটজিপিটি ও জেমিনাই ব্যবহার করে সহজেই স্টোরিবোর্ড তৈরি ও প্রি-ভিজ্যুয়ালাইজেশন করতে পারছেন। তিনি মনে করেন, এআই অনেক কাজ সহজ করবে, কিন্তু মানুষের সৃজনশীলতা ও নৈতিক বিচারবোধের গুরুত্ব থাকবে।
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মাইশা মুশতাক বলেছেন, শুধু কোড লিখা নয়, সমস্যা গভীরভাবে বুঝতে হবে। তিনি একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি প্রকল্পে কাজ করে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করছেন। এআই টুল ব্যবহার করে নতুন প্রযুক্তি শেখার অভ্যাস গড়ে তুলছেন। তিনি মনে করেন, আগামী পাঁচ বছরে এআই কর্মক্ষেত্রের চিত্র বদলে যাবে, কিন্তু দায়িত্বশীলভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে।
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী তাসফিয়া তারাননুম বলেছেন, এআই ব্যবহার ও সঠিকভাবে ব্যবহারের মধ্যে পার্থক্য আছে। তিনি লেখালেখি, গবেষণা, গ্রাফিকস ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির দক্ষতা বিকাশের পাশাপাশি এআইয়ের তথ্য যাচাই ও সমালোচনামূলক চিন্তা শেখার চেষ্টা করছেন। তিনি মনে করেন, আগামী পাঁচ বছরে চাকরি ও কাজের ধরন অনেক বদলে যাবে, তাই দক্ষতা কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে।
"এআই তথ্য দিতে পারে, কিন্তু তা যাচাই ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করতে মানুষের নিজস্ব জ্ঞান ও বিচারবোধ প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহ্রিন ইসলাম, নুর হোসাইন, মাইশা মুশতাক, তাসফিয়া তারাননুম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ বছর (আগামী পাঁচ বছরে এআই কর্মক্ষেত্রের পরিবর্তন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!