📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েল হামলায় একই পরিবারের ১২ সদস্যের মৃত্যু: হামেদের কষ্টের গল্প

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েল হামলায় একই পরিবারের ১২ সদস্যের মৃত্যু: হামেদের কষ্টের গল্প

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইরানের তেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একই পরিবারের ১২ সদস্যের মৃত্যু হয়। হামেদ মির্জাই তার স্ত্রী, মা-বাবা, দাদা-দাদিসহ সবার মৃত্যুতে আতঙ্কিত। তিনি বলেন, যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখাতে চাইলে তাঁর জীবন দেখতে পারেন

ইরানের তেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একই পরিবারের ১২ সদস্যের মৃত্যু হয়। হামেদ মির্জাই তার স্ত্রী মোহাদেসেহ, মা-বাবা, দাদা-দাদিসহ পরিবারের সবাইকে হারিয়েছেন। এই হামলায় তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ২৬ বছর বয়সী স্ত্রী মোহাদেসেহ এবং বাবার এক চাচাতো ভাইসহ আরও ১০ জন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইরানে মার্কিন-ইসরায়েল হামলায় হামেদ মির্জাই তার পরিবারের ১২ সদস্যকে হারিয়েছেন, যার মধ্যে ছিলেন স্ত্রী, মা-বাবা, দাদা-দাদি, শ্যালিকা, চাচা, ফুফুস্বামী ও মেয়ে, বাবার চাচাতো ভাইসহ সবাই।
  • 📌 ৯ মার্চ ২০২৬ সোমবার দুপুরে হামলা হয়েছিল। হামেদ বাড়ি থেকে বের হওয়ার মাত্র পাঁচ মিনিট পর ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে।
  • 📌 ২০ দিন ধরে ধ্বংসস্তূপে নিজে খোঁজার পরও পরিবারের কেউ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
  • 📌 হামেদ বলেন, ‘আমি একমাত্র বেঁচে আছি। মৃতদের তালিকায় আমার নাম নেই, কিন্তু আমি তাদের মতোই মৃত।’

📰 বিস্তারিত

হামেদ মির্জাই ইরানের তেহরানে একটি আবাসিক ভবনে বসবাস করতেন। ২০২৬ সালের ৯ মার্চ সোমবার দুপুরে কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। বেলা আড়াইটার দিকে স্ত্রী মোহাদেসেহ তাঁকে ফোনে বার্তা পাঠিয়ে মাথাব্যথার ওষুধ আনতে বলেন। কিন্তু ফোন ব্যস্ত পেয়ে হামেদ জানতে পারেননি যে, আর কখনোই স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন না। বাড়ি থেকে মাত্র পাঁচ মিনিটের দূরত্বে থাকতেই হঠাৎ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। বিস্ফোরণে ভবনটি ধ্বংস হয়ে যায়। হামেদ ধ্বংসস্তূপে গিয়ে দেখেন, কেবল কঙ্কালসার কাঠামোই বাকি রয়েছে। দ্বিতীয় তলায় স্ত্রীকে খুঁজতে গেলেও সিঁড়ির কোনো অস্তিত্ব ছিল না।

হামেদের পরিবারের সদস্যরা ছিলেন: স্ত্রী মোহাদেসেহ (২৬ বছর), বাবা, মা, দাদা-দাদি, শ্যালিকা, ফুফুস্বামী ও তার মেয়ে, চাচা এবং বাবার এক চাচাতো ভাইসহ মোট ১২ জন। হামেদ বলেন, ‘আমি একমাত্র সন্তান। ভাইবোন না থাকলেও ভাবতাম, বড় একটি পরিবার আছে আমার। সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে বৃদ্ধ হব। এখন সেই সবাই হারিয়ে গেছে। আমি একাই বেঁচে আছি।’

হামেদের কথায়, যুদ্ধের ভয়াবহতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যারা মনে করেন যুদ্ধ ভালো কিছু বয়ে আনতে পারে, তাঁদের আমার জীবনের দিকে তাকানো উচিত। প্রশ্ন করা উচিত, এই ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যে ভালোটা কোথায়?’ তিনি জানান, যে ভবনে তাঁর জন্ম, তাঁর বাবার জন্ম এবং সন্তানের জন্ম হবে বলে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সবকিছু কয়েক সেকেন্ডে ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রতিদিন সকালে তিনি সেই ধ্বংসস্তূপের কাছে ফিরে যান।

"আমি একমাত্র সন্তান। ভাবতাম, বড় একটি পরিবার আছে আমার। সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে বৃদ্ধ হব। এখন সেই সবাই হারিয়ে গেছে। আমি একাই বেঁচে আছি। মৃতদের তালিকায় আমার নামটি নেই, কিন্তু আমি তাদের মতোই মৃত।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: তেহরান, ইরান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হামেদ মির্জাই
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন পরিবার সদস্য, ২৬ বছর বয়সী স্ত্রী, ৯ মার্চ ২০২৬, ২০ দিন ধ্বংসস্তূপে খোঁজা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖