📌 সরকার আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই আগাম ডিসেম্বরেই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এজন্য আগাম ছাপা ও সরবরাহ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন চারটি বই যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষাক্রম পরিমার্জনের উদ্যোগ চলছে
সরকার আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই আগাম ডিসেম্বরেই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এর ফলে শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই সব শিক্ষার্থী তাদের প্রয়োজনীয় বই পেয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের ডিসেম্বরেই আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে
- 📌 ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত মোট প্রায় ৩১ কোটি পাঠ্যবই ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে চারটি নতুন পাঠ্যবই যুক্ত হবে
- 📌 ২০২৮ সাল থেকে শিক্ষাক্রমে ব্যাপক পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 এনসিটিবির সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাসের জানিয়েছেন, প্রাক্-প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যবই ছাপার কাজ শিগগিরই শুরু হবে
📰 বিস্তারিত
সরকারের জনগণের সরকারের ১৮০ দিনের কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশিত ই-বুকে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চলতি বছরের ডিসেম্বরে আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা চলতি বছরের শেষেই পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রয়োজনীয় বই পেয়ে যাবে। এর আগে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে সব বই সরবরাহ করতে প্রায় তিন মাস সময় লেগেছিল, আর চলতি শিক্ষাবর্ষে শতভাগ বই সরবরাহ করতে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় লেগেছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্র জানিয়েছে, আগামী শিক্ষাবর্ষের বই ছাপার কাজ আগেভাগে শেষ করার প্রস্তুতি চলছে। তাদের লক্ষ্য হচ্ছে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সব বই ছাপিয়ে মাঠপর্যায়ে পাঠানো, যাতে ডিসেম্বরেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়া যায়। এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাসের জানিয়েছেন, প্রাক্-প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যবই ছাপার কাজ আজকালের মধ্যে শুরু হবে। অন্যান্য শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের ছাপার কাজও ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে শুরু করার আশা করছেন তাঁরা।
এদিকে, জাতীয় শিক্ষাক্রম পরিমার্জনের অংশ হিসেবে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে চারটি নতুন পাঠ্যবই যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দুটি বই হলো ‘খেলাধুলা’ ও ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’। ‘খেলাধুলা’ বইয়ে ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, কাবাডিসহ আটটি খেলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হবে ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ ও ‘আনন্দময় শিখন’।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবি সূত্র বলছে, ২০২৮ সাল থেকে শিক্ষাক্রম আরও বিস্তৃতভাবে পরিমার্জন করে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে পরিমার্জনের মাধ্যমে সীমিত পরিসরে কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
"প্রাক্-প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যবই ছাপার কাজ আজকালের মধ্যে শুরু হবে। অন্যান্য শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের ছাপার কাজও ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে শুরু করার আশা করছেন তাঁরা। তাঁদের লক্ষ্য, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ছাপার কাজ শেষ করা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাসের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ কোটি, ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৮০ দিন, ৩০ নভেম্বর, ১০ দিন, ১৫ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!