📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাক্ষরতার আলো ছড়িয়ে পড়ার যাত্রা: বিশ্বের নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর চ্যালেঞ্জ ও বাংলাদেশের অবস্থান

সাক্ষরতার আলো ছড়িয়ে পড়ার যাত্রা: বিশ্বের নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর চ্যালেঞ্জ ও বাংলাদেশের অবস্থান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রতিবছর ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী উদ্যাপিত হয় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। বিশ্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ মানুষ নিরক্ষর, যার অর্ধেকের বেশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশে বাস করে। বাংলাদেশে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানুন।

প্রতিবছর ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী উদ্যাপিত হয় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার গুরুত্ব বুঝিয়ে মানুষকে মানবসম্পদে রূপান্তরিত করা। বিশ্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ মানুষ আজও নিরক্ষর, এবং এই নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর অর্ধেকের বেশি বাস করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব অপরিসীম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিশ্বের প্রায় ৭৩ কোটি ৯০ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ নিরক্ষর, যার মধ্যে বাংলাদেশে ৩ কোটি ২৫ লাখেরও বেশি নিরক্ষর জনগোষ্ঠী রয়েছে
  • 📌 বাংলাদেশের বিশ্ব নিরক্ষরতা র্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান ১৬৪তম, যেখানে প্রতি পাঁচজন বয়স্ক মানুষের মধ্যে একজনের বেশি নিরক্ষর
  • 📌 ১৯৬৫ সালে ইউনেসকোর উদ্যোগে তেহরানে অনুষ্ঠিত শিক্ষাসংক্রান্ত বিশ্ব সম্মেলনে ৮৮টি দেশের শিক্ষামন্ত্রী ও বিশেষজ্ঞরা সাক্ষরতার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন
  • 📌 ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদ্যাপিত হয়, যেখানে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি চালু করা হয়
  • 📌 এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’

📰 বিস্তারিত

মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোর অন্যতম শিক্ষা। নিরক্ষরতা যেকোনো জাতি বা গোষ্ঠীর জন্য অভিশাপের মতো। ইউনেসকোর তথ্যানুযায়ী, বর্তমান বিশ্বে প্রায় ৭৩ কোটি ৯০ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ নিরক্ষর। এই নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর অর্ধেকের বেশি বাস করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে। শিক্ষার আলো থেকে পিছিয়ে থাকা এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার গুরুত্ব অনুধাবন করে জাতিসংঘের ঘোষণা অনুযায়ী প্রতিবছর ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদ্যাপিত হয়ে আসছে।

১৯৬৫ সালের ৮ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর তেহরানে অনুষ্ঠিত ইউনেসকোর শিক্ষাসংক্রান্ত বিশ্ব সম্মেলনে বিশ্বের ৮৮টি দেশের শিক্ষামন্ত্রী ও বিশেষজ্ঞগণ অংশগ্রহণ করেন। এ সম্মেলনের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বের সব মানুষকে সাক্ষর করার উপায় খুঁজে বের করা। উক্ত সম্মেলনে বিশ্বের সব দেশে প্রতিবছর ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস হিসেবে উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১৯৬৬ সালে ইউনেসকো প্রথমবারের মতো দিবসটি উদ্যাপন করে। ১৯৬৭ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সীমিত পরিসরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদ্যাপিত হয়। এর পর থেকে নিয়মিতভাবে দিবসটি উদ্যাপিত হয়ে আসছে।

স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে প্রথম সাক্ষরতা দিবস উদ্যাপিত হয়। দিবসটি উদ্যাপনের মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বের জনগণকে শিক্ষা সম্পর্কে সচেতন ও উদ্দীপ্ত করে তাদেরকে মানবসম্পদে রূপান্তরিত করা। এছাড়া পশ্চাৎপদ নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্যাপিত হয়। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’।

সাক্ষরতা শব্দের অর্থ হলো স্বাক্ষর বা সই করা। ব্যবহারিক অর্থে স্ব-অক্ষরের সঙ্গে পরিচয় থাকা ব্যক্তিকে সাক্ষর বলা হয়। বাংলাদেশের ভৌগোলিক পরিসরে সাক্ষরতা শব্দের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় ১৯০১ সালে জনশুমারির অফিশিয়াল ডকুমেন্টে। শুরুতে স্ব–অক্ষরের সঙ্গে অর্থাৎ নিজের নাম লিখতে যে কয়টি বর্ণমালা প্রয়োজন, তা জানলেই তাকে সাক্ষর বলা হতো। দিন দিন সাক্ষরতার পরিধি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন শুধু স্বাক্ষর জ্ঞান থাকলেই সাক্ষরতা বলা যায় না। বর্তমানে সাক্ষরতা হলো সরাসরি ব্যক্তির জীবনমান পরিবর্তনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। অর্থাৎ সাক্ষরতার সঙ্গে যোগাযোগ দক্ষতা, ক্ষমতায়নের দক্ষতা, জীবন নির্বাহী দক্ষতা, প্রতিরক্ষার দক্ষতা এবং সাংগঠনিক দক্ষতাও সংযোজিত হয়েছে।

"সাক্ষরতা বলতে বোঝানো হয় পরিচিত বিষয় ও প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়বস্তু পড়তে ও লিখতে পারার দক্ষতা অর্জন এবং সমাজে কার্যকর ভূমিকা পালনে দৈনন্দিন জীবনে এ দক্ষতাগুলো ব্যবহার করতে পারার ক্ষমতা"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিশ্বব্যাপী (বিশেষত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষাবিশেষজ্ঞগণ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৩ কোটি ৯০ লাখ (বিশ্বের নিরক্ষর প্রাপ্তবয়স্ক), ৩ কোটি ২৫ লাখ (বাংলাদেশের নিরক্ষর), ১৬৪ (বিশ্ব নিরক্ষরতা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖