📌 পাবনার ফরিদপুর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একতলা ভবন পুকুরের পাড়ে নির্মিত হওয়ায় মাটি সরে যাওয়ায় ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ভয়াবহ আশঙ্কা সত্ত্বেও সংস্কার বা বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি
পাবনার ফরিদপুর উপজেলার বৃলাহিড়ীবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি একতলা ভবন পুকুরের পাড়ে নির্মিত হওয়ায় মাটি সরে যাওয়ায় যেকোনো সময় ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ভয়াবহ আশঙ্কা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে ঝুঁকিপূর্ণ ওই ভবনে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাবনার ফরিদপুর উপজেলার বৃলাহিড়ীবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবন পুকুরে ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে
- 📌 ১৯৯৫ সালে নির্মিত ওই ভবনের নিচের মাটি কয়েক বছর ধরে সরে যাচ্ছে
- 📌 শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ভয়াবহ আশঙ্কা সত্ত্বেও সংস্কার বা বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি
- 📌 বিদ্যালয়ে ১০ জন শিক্ষক-কর্মচারী ও ২৬৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে
- 📌 ৮ জুলাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করা হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি
📰 বিস্তারিত
১৯১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত বৃলাহিড়ীবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বি এল বাড়ী গ্রামে অবস্থিত। বিদ্যালয়ের দুটি একতলা ভবনের মধ্যে একটি ১৯৯৫ সালে নির্মিত। দক্ষিণ পাশে পুকুরের পাড় ঘেঁষে নির্মিত ওই ভবনের নিচের মাটি কয়েক বছর ধরে সরে যাচ্ছে। বর্তমানে ভবনটির একটি অংশ যেকোনো সময় পুকুরে ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা।
শিক্ষার্থী জান্নাতী খাতুন বলেছেন, ‘আমাদের ওই ভাঙা ভবনে ক্লাস করতে হয়। সব সময় ভয় থাকে, কখন ভবনটি ভেঙে পড়ে।’ সহকারী শিক্ষিকা রেশমা জানিয়েছেন, ‘শিশু শ্রেণিতে ক্লাস নেওয়ার সময় বাচ্চাদের ওই অংশ থেকে সরিয়ে বসাই। সব সময় ভয় হয়, ভবনটি যদি হঠাৎ ভেঙে পড়ে তাহলে কী হবে।’ সহকারী শিক্ষক মো. আল মামুন বলেছেন, ‘বিদ্যালয়ে সীমানাপ্রাচীর নেই। সামান্য বৃষ্টি হলেই ছোট মাঠে পানি জমে যায়। এর মধ্যে ভবন ধসে পড়ার ঝুঁকি তো রয়েছেই। এসব সমস্যা নিয়েই পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছি।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. নাসিমা নাসরিন জানান, সর্বশেষ ৮ জুলাই ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার বিষয়টি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। তবে এখনো ভবনটি সংস্কার বা অপসারণ কিংবা বিকল্প শ্রেণিকক্ষের ব্যবস্থা করা হয়নি। ফরিদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খ. ম. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেছেন, আবেদনটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অগ্রায়ন করা হয়েছে।
ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইমামা বানিন বলেছেন, ‘বিদ্যালয়ের বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গত বছর আবেদনের মাধ্যমে জানিয়েছেন। কিন্তু গত বছর আমরা বরাদ্দ না পাওয়ায় সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। এ বছর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। আশা করছি, বরাদ্দ দ্রুত পাওয়া সাপেক্ষে বিদ্যালয়টির সংস্কার ও মাটি ভরাটের কাজ করা হবে।’
"আমাদের ওই ভাঙা ভবনে ক্লাস করতে হয়। সব সময় ভয় থাকে, কখন ভবনটি ভেঙে পড়ে।"
"শিশু শ্রেণিতে ক্লাস নেওয়ার সময় বাচ্চাদের ওই অংশ থেকে সরিয়ে বসাই। সব সময় ভয় হয়, ভবনটি যদি হঠাৎ ভেঙে পড়ে তাহলে কী হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বৃলাহিড়ীবাড়ী, ফরিদপুর উপজেলা, পাবনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান শিক্ষক মোছা. নাসিমা নাসরিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইমামা বানিন, সহকারী শিক্ষিকা রেশমা, শিক্ষার্থী জান্নাতী খাতুন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন শিক্ষক-কর্মচারী, ২৬৫ জন শিক্ষার্থী, ৮ জুলাই (আবেদন তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!