📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে গিয়ে তদন্ত কমিটির সদস্যরা হল সংসদের নেতাদের বাধার মুখে পড়েন। নেতারা ফুটেজের কপি দাবি করলে উত্তপ্ত বিতর্ক ও মারামারির ঘটনা ঘটে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে গিয়ে তদন্ত কমিটির সদস্যরা হল সংসদের নেতাদের বাধার মুখে পড়েন। গত মঙ্গলবার দুপুরে হল প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল রতনের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটি ১৬ আগস্টের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে গেলে ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত নেতারা তাঁদের পথ আটকে দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফজলুল হক মুসলিম হলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে গিয়ে তদন্ত কমিটির সদস্যরা নেতাদের বাধার মুখে পড়েন
- 📌 নেতারা ফুটেজের কপি দাবি করলে প্রক্টরসহ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে উত্তপ্ত বিতর্ক হয়
- 📌 হল সংসদের ভিপি আবু নাঈম অভিযোগ করেন, প্রক্টরিয়াল টিম ফুটেজ গায়েব করার চেষ্টা করছে
- 📌 প্রক্টর ইসরাফিল রতন জানান, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে ফুটেজ প্রকাশ করা সম্ভব নয়
- 📌 ১৬ আগস্ট প্রাধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ ও মারামারির ঘটনায় গঠিত হয় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি
📰 বিস্তারিত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে গিয়ে তদন্ত কমিটির সদস্যরা হল সংসদের নেতাদের বাধার মুখে পড়েন। গত মঙ্গলবার দুপুরে হল প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল রতনের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটি ১৬ আগস্টের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে গেলে ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত নেতারা তাঁদের পথ আটকে দেন।
হল সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) খন্দকার মো. আবু নাঈম অভিযোগ করেন, প্রক্টরিয়াল টিম ফুটেজ গায়েব করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ‘ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদের ভিপি হিসেবে বলতে চাই, সিসিটিভি ফুটেজের কপি না দিয়ে প্রক্টরিয়াল টিম যেতে পারবে না। তারা তদন্তের নামে টালবাহানা ও ফুটেজ গায়েব করার পাঁয়তারা করছে।’
প্রক্টর ইসরাফিল রতন জানান, উপাচার্যের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা তদন্তের স্বার্থে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে সেখানে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ভিডিও ফুটেজটি কপি করেছি। কিন্তু এটা আমরা সংগ্রহ করেছি তদন্তের স্বার্থে। কোনো অভিযোগ আসলে এটা কি তদন্তের আগে জনসমক্ষে আনা যায়?’
এর আগে গত রোববার দুপুরে ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহিমকে প্রাধ্যক্ষের কক্ষে ডেকে নেওয়া হয়। প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইলিয়াস আল মামুন তাঁকে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় ওই দিন রাত ৯টার দিকে প্রাধ্যক্ষকে হলে অবরুদ্ধ করেন হল সংসদের নেতা ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা। রাত পৌনে তিনটা পর্যন্ত এ অবস্থা চলতে থাকে। এরপর ছাত্রদলের হলের নেতা-কর্মীরা এসে প্রাধ্যক্ষকে বের করে নেন।
‘ফজলুল হক মুসলিম হল প্রক্টরিয়াল টিম ফুটেজ গায়েব করার চেষ্টা করছে। ফুটেজের কপি না দিয়ে প্রক্টরিয়াল টিম যেতে পারবে না।’ — খন্দকার মো. আবু নাঈম, ভিপি, ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফজলুল হক মুসলিম হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইসরাফিল রতন (প্রক্টর), আবু নাঈম (ভিপি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!