📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাবিতে নারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক সান্ধ্য আইন পুরোপুরি বাতিলের দাবি

ঢাবিতে নারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক সান্ধ্য আইন পুরোপুরি বাতিলের দাবি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে আরোপিত বৈষম্যমূলক সান্ধ্য আইন পুরোপুরি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসন তাঁদের দাবি উপেক্ষা করে মাত্র এক ঘণ্টার সময় বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিভিন্ন হলের নারী শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে আরোপিত বৈষম্যমূলক সান্ধ্য আইন পুরোপুরি বাতিলের দাবিতে সরব হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসন তাঁদের দাবি উপেক্ষা করে মাত্র এক ঘণ্টার সময় বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাবির নারী শিক্ষার্থীরা বৈষম্যমূলক সান্ধ্য আইন পুরোপুরি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন
  • 📌 গত ৯ আগস্ট উপাচার্যের কাছে ১২০০-এর বেশি শিক্ষার্থীর স্বাক্ষরসহ স্মারকলিপি প্রদান
  • 📌 প্রশাসন শুধু এক ঘণ্টার জন্য কারফিউ শিথিলের প্রস্তাব দিয়েছে
  • 📌 রাত ১০টার পর ক্যাম্পাসে অবস্থান ও বিশেষ প্রয়োজনে হলের বাইরে যেতে প্রশাসনের মুচলেকা লাগে

📰 বিস্তারিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘অবরোধবাসিনী’ প্ল্যাটফর্মের শিক্ষার্থীরা এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে শামসুন্নাহার হলের শিক্ষার্থী ইশরাত জাহান ইমু জানান, গত ৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে ১২০০-এর বেশি নারী শিক্ষার্থীর স্বাক্ষরসহ স্মারকলিপি দেওয়া হয়। পরদিন ১০ আগস্ট তাঁরা প্রশাসনকে আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের দাবিগুলো উপেক্ষা করে প্রশাসন শুধু এক ঘণ্টার জন্য কারফিউ শিথিলের প্রস্তাব দিয়েছে।

শিক্ষার্থীরা বলেন, এক ঘণ্টা সময় বৃদ্ধির এ প্রস্তাব তাঁদের নাগরিক অধিকারকে খর্ব করে। তাঁরা অভিযোগ করেন, হলগুলোতে প্রবেশের সময়সীমা ছাড়াও পুরো ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন বৈষম্যমূলক বিধি-নিষেধ রয়েছে। রাত ১০টার পর ক্যাম্পাসে অবস্থান, কার্জন হলে প্রবেশ এবং সন্ধ্যা ৭টার পর জিমনেশিয়ামের ইনডোর গেমসে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ ছাড়া রাতে বিশেষ প্রয়োজনেও হলের বাইরে যেতে হলে প্রশাসনের লিখিত মুচলেকা দিতে হয়। ওই মুচলেকায় ‘নিরাপত্তার দায় বিশ্ববিদ্যালয় নেবে না’—এমন শর্ত রাখা হয় বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

তাঁরা আরও বলেন, এ ধরনের বিধিনিষেধ পুরুষ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তাঁদের দাবি, বৈষম্যমূলক সান্ধ্যকালীন কারফিউ বাতিল করে নারী শিক্ষার্থীদের ২৪ ঘণ্টা অবাধ চলাচলের সুযোগ দিতে হবে। পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যে কোনো নারী হলে প্রবেশ ও রাতে অবস্থানের সুযোগ এবং নারী শিক্ষার্থীদের মা, বোনসহ নারী স্বজনদের হলে প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে।

"গত ৯ আগস্ট উপাচার্যের কাছে ১২০০-এর বেশি শিক্ষার্থীর স্বাক্ষরসহ স্মারকলিপি দেওয়া হয়। পরদিন প্রশাসনকে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁদের দাবিগুলো উপেক্ষা করে প্রশাসন শুধু এক ঘণ্টার জন্য কারফিউ শিথিলের প্রস্তাব দিয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রোকেয়া হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইশরাত জাহান ইমু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০০

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖