📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:৫৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপন্ন বৃক্ষ সংরক্ষণে ‘বাংলাওয়াকি’ প্রকল্পের উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপন্ন বৃক্ষ সংরক্ষণে ‘বাংলাওয়াকি’ প্রকল্পের উদ্বোধন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে বিপন্ন দেশীয় বৃক্ষ সংরক্ষণে ‘বাংলাওয়াকি’ নামে বিশেষ উদ্যোগ চালু হয়েছে। প্রায় ১২০ প্রজাতির বিপন্ন বৃক্ষের চারা রোপণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি জীবন্ত সংগ্রহশালা তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে দেশীয় বিপন্ন বৃক্ষ সংরক্ষণে নতুন উদ্যোগ ‘বাংলাওয়াকি’ প্রকল্পের সূচনা হয়েছে। প্রায় ১২০ প্রজাতির বিপন্ন দেশীয় বৃক্ষের চারা রোপণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি জীবন্ত সংগ্রহশালা তৈরির লক্ষ্যে কাজ শুরু করা হয়েছে। প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিপন্ন বৃক্ষ প্রজাতিকে সংরক্ষণ করা এবং শিক্ষা ও গবেষণার কাজে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ‘বাংলাওয়াকি’ প্রকল্পের অধীনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে প্রায় ১২০ প্রজাতির বিপন্ন দেশীয় বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়েছে
  • 📌 প্রকল্পটির উদ্দেশ্য হলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিপন্ন বৃক্ষ প্রজাতিকে সংরক্ষণ করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণার সুযোগ তৈরি করা
  • 📌 গত জুলাইয়ের ২৫ তারিখ চট্টগ্রামের বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ৫০ প্রজাতির বিপন্ন বৃক্ষের চারা সংগ্রহ করা হয়েছে
  • 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে ২৭৭ প্রজাতির মোট ১৭ হাজার ১৬১টি বৃক্ষ শনাক্ত করা হয়েছে, যার অধিকাংশই বিদেশি প্রজাতির

📰 বিস্তারিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনের নেতৃত্বে ‘বাংলাওয়াকি’ নামে এই প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো দেশের বিপন্ন বৃক্ষ প্রজাতিগুলোকে সংরক্ষণ করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি জীবন্ত সংগ্রহশালা তৈরি করা। প্রকল্পটির নামকরণ করা হয়েছে জাপানের মিয়াওয়াকি পদ্ধতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে।

গত জুলাইয়ের ২৫ তারিখ চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন অধ্যাপক জসীম উদ্দিন ও তাঁর সহকর্মী। ভোর পাঁচটায় যাত্রা শুরু করে প্রায় ১১টার দিকে তাঁরা বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের নার্সারিতে পৌঁছান। সেখানে প্রায় ৩০ প্রজাতির বিপন্ন দেশীয় বৃক্ষের চারা সংগ্রহ করা হয়। প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রধান ড. হাসিনা মরিয়মের সহযোগিতায় চারাগুলো সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। বিএফআরআই কর্তৃপক্ষ কোনো রাজস্ব মূল্য গ্রহণ না করে চারাগুলো উপহার হিসেবে প্রদান করে।

এরপর তাঁদের গন্তব্য ছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ইনস্টিটিউট। সেখানে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আক্তার হোসেনের সহযোগিতায় বৈলামসহ আরও কয়েকটি বিপন্ন বৃক্ষ প্রজাতির চারা সংগ্রহ করা হয়। বৈলামের চারা সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিশেষ চ্যালেঞ্জ থাকলেও তাঁরা ২০টির বেশি বৈলামের চারা সংগ্রহ করতে সক্ষম হন।

"আমাদের লক্ষ্য শুধু কিছু গাছ রোপণ করা নয়। আমরা চাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশের দেশীয় ও বিপন্ন বৃক্ষগুলোকে সরাসরি চিনুক, তাদের বৈশিষ্ট্য জানুক এবং গবেষণার কাজে ব্যবহার করুক।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, ড. মুহাম্মদ আক্তার হোসেন, ড. হাসিনা মরিয়ম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০ প্রজাতি, ৫০ প্রজাতি, ২৭৭ প্রজাতি, ১৭ হাজার ১৬১টি বৃক্ষ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖