📌 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে নির্বাচিত শিক্ষক প্রতিনিধি ছাড়াই। ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির বিক্ষোভের কারণে শিক্ষকরা নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে অধিবেশনে অংশ নেননি। অধিবেশন চলে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পর্ষদ সিনেটের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে নির্বাচিত শিক্ষক প্রতিনিধি ছাড়াই। ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির বিক্ষোভের কারণে শিক্ষকরা নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে অধিবেশনে অংশ নেননি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিনেট অধিবেশন শুরু হয় শনিবার সকাল ১১টায় এবং চলে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
- 📌 অধিবেশনে নির্বাচিত শিক্ষক প্রতিনিধিদের মধ্যে কেউ উপস্থিত হননি।
- 📌 বর্তমানে সিনেটে নির্বাচিত শিক্ষক প্রতিনিধি রয়েছেন ২৪ জন।
- 📌 অধিবেশনে না আসা শিক্ষকদের অন্যতম ছিলেন অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান ও অধ্যাপক মো. দানেশ মিয়া।
- 📌 চাকসু উপাচার্যের কাছে ১৯ দফা দাবিসংবলিত খোলাচিঠি প্রদান করে।
- 📌 ছাত্রদলের নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান জানান, আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষকরা সিনেটে অংশ নিতে পারবেন না।
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে নির্বাচিত শিক্ষক প্রতিনিধি ছাড়াই। ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির বিক্ষোভের কারণে শিক্ষকরা নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে অধিবেশনে অংশ নেননি। অধিবেশন শুরু হয় শনিবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে এবং চলে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
সিনেট হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পর্ষদ, যেখানে বার্ষিক প্রতিবেদন, হিসাব-নিকাশ ও আর্থিক প্রাক্কলন বিবেচনা ও অনুমোদনসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন হয়। প্রতিবছর অন্তত একবার সিনেট সদস্যরা অধিবেশন করেন। তবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর গত দুই বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়নি।
বর্তমানে সিনেটে নির্বাচিত শিক্ষক প্রতিনিধি রয়েছেন ২৪ জন। তাঁদের মধ্যে অন্তত ২০ জন ক্যাম্পাসে উপস্থিত ছিলেন, তবে তাঁরা অধিবেশনে যোগ দেননি। অধিবেশনে না আসা শিক্ষকদের একজন সমাজতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায় ২০ জন ক্যাম্পাসে উপস্থিত ছিলাম। একজন নির্বাচিত সদস্য কেন সিনেট সভায় যোগ দিতে পারবেন না, সেটিই আমাদের প্রশ্ন।’
বন ও পরিবেশবিদ্যা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মো. দানেশ মিয়া বলেন, ‘আমরা প্রায় ২০ জন শিক্ষক সিনেট অধিবেশনে যাচ্ছি না। কারণ, সিনেট সভায় অংশ নেওয়ার মতো পরিবেশ সেখানে ছিল না। সিনেট কর্তৃপক্ষ আমাদের নিরাপত্তা দিতে পারেনি।’
‘আওয়ামী লীগের কোনো শিক্ষক সিনেট অধিবেশনে থাকতে পারবেন না। যদি কেউ সিনেটে আমন্ত্রণ পান, তাহলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।’ — আবদুল্লাহ আল নোমান, সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, প্রশাসনিক ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল্লাহ আল নোমান, এস এম মনিরুল হাসান, মো. দানেশ মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ জন নির্বাচিত শিক্ষক প্রতিনিধি, ২০ জন উপস্থিত শিক্ষক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!