📌 বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি ও অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রেমের প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে মারামারি ও ধাওয়া পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে অন্তত দশজন আহত হন। রাতভর চলা এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুই পক্ষকে নিবৃত্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ইংরেজি ও অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রেমের প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে মারামারি ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া সংঘর্ষে অন্তত দশজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাতভর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কয়েক দফায় এ ঘটনা ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মুসা হোসাইন এক ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেন
- 📌 ছাত্রী রাজি না হওয়ায় মুসা তাকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ ওঠে
- 📌 অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিষয়টি জানিয়ে সিনিয়রদের কাছে তুলে ধরেন
- 📌 রাত ৯টার দিকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং মুসাকে মারধর করা হয়
- 📌 দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও মারামারিতে দশজন আহত হন
📰 বিস্তারিত
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ও অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রেমের প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে মারামারি ও ধাওয়া পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মুসা হোসাইন নবীনবরণ অনুষ্ঠানের দিন অর্থনীতি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের এক ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। পরে ওই ছাত্রীর মোবাইল ফোন থেকে নিজের ফেসবুক আইডি দিয়ে তাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠান মুসা। ছাত্রী রাজি না হওয়ায় মুসাকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনা অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাঁদের সিনিয়রদের জানালে রাত ৯টার দিকে কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষার্থী ঘটনাস্থলে যান। সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে মুসাকে মারধর করা হয়। তাঁর মুখ দিয়ে রক্ত পড়তে দেখা যায়। এরপর দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। রাতভর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে কয়েক দফা পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে।
অর্থনীতি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আব্দুল আজিজ বলেন, তাঁদের বিভাগের এক জুনিয়র ছাত্রীকে মুসা উত্ত্যক্ত করে প্রেমের প্রস্তাব দেন। মেয়েটি রাজি না হওয়ায় তাকে আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীরা ভিসি গেটের বিপরীতে জড়ো হন। একপর্যায়ে ইংরেজি বিভাগের ১৩তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী মারধরের জন্য এগিয়ে এলে হাতাহাতির সূত্রপাত হয়।
ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেছেন বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, মুসা কোনো অপরাধ করে থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা যেত।
"ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আমি উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেছি। দুই বিভাগের শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত ছিলেন। মুসা কোনো অপরাধ করে থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা যেত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুসা হোসাইন, আব্দুল আজিজ, মো. মিজানুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন আহত, ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচ, অর্থনীতি বিভাগের ১৫তম ব্যাচ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!