📌 বরিশালের তিন সরকারি কলেজে নন-ক্যাডার শিক্ষকদের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে পদায়নের অভিযোগ উঠেছে। বিসিএস ক্যাডারভুক্ত শিক্ষকরা দাবি করেছেন, ঘুষের মাধ্যমে এসব পদায়ন করা হয়েছে। ক্ষুব্ধ শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, তাঁদের সিনিয়রিটিকে উপেক্ষা করে এমন পদায়ন দেওয়া হয়েছে
বরিশাল বিভাগের তিন সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে নন-ক্যাডার শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিসিএস ক্যাডারভুক্ত শিক্ষকরা দাবি করেছেন, ঘুষের মাধ্যমে এসব পদায়ন করা হয়েছে। ক্ষুব্ধ শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, তাঁদের সিনিয়রিটিকে উপেক্ষা করে এমন পদায়ন দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বরিশালের তিন সরকারি কলেজে নন-ক্যাডার শিক্ষকদের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে পদায়ন দেওয়া হয়েছে।
- 📌 বিসিএস ক্যাডারভুক্ত শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, ঘুষের মাধ্যমে এসব পদায়ন করা হয়েছে।
- 📌 বরিশাল সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে উপাধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন নন-ক্যাডার অধ্যাপক মোসা. মেহবুবা আলম।
- 📌 সরকারি বিএম কলেজ ও সরকারি মহিলা কলেজেও একই ধরনের পদায়ন দেওয়া হয়েছে।
- 📌 বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশন বরিশাল জেলার সাধারণ সম্পাদক মো. মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, এ ধরনের পদায়নে তিনি উদ্বিগ্ন ও ক্ষুব্ধ।
📰 বিস্তারিত
বরিশাল বিভাগের সরকারি কলেজগুলোতে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে নন-ক্যাডার শিক্ষকদের পদায়নের অভিযোগ উঠেছে। বিসিএস ক্যাডারভুক্ত শিক্ষকরা দাবি করেছেন, ঘুষের মাধ্যমে এসব পদায়ন করা হয়েছে। তাঁদের মতে, মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে এ ধরনের পদায়ন বাগানো হচ্ছে। সূত্রমতে, ১৯৯০-এর দশকে সরকার ১৮টি মহিলা কলেজকে একযোগে সরকারি করে। অপর দিকে ১০ শতাংশ কোটায় সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ পান কিছুসংখ্যক নন-ক্যাডার শিক্ষক। বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন কলেজে এমন শিক্ষক রয়েছেন ২৪ জন। আর বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন সরকারি কলেজে প্রায় এক হাজার বিসিএস ক্যাডার শিক্ষক রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অধ্যাপক রয়েছেন অন্তত ১০০ জন।
সম্প্রতি বরিশাল নগরের তিনটি সরকারি কলেজে নন-ক্যাডার শিক্ষকদের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে পদায়ন করা হয়। এ নিয়েই ক্ষোভ দেখা দিয়েছে বিসিএস ক্যাডারভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে। বরিশাল সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে গত ২২ জুলাই উপাধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন নন-ক্যাডার অধ্যাপক মোসা. মেহবুবা আলম। কিন্তু বিসিএস শিক্ষকেরা বাধা দেন। এ বিষয়ে হাতেম আলী কলেজের অধ্যাপক খান শাহিনুল হক বলেন, ‘মেহবুবা আত্তীকৃত নন-ক্যাডার শিক্ষক। ক্যাডারভুক্ত সরকারি কলেজে নন-ক্যাডার দায়িত্ব নিতে পারেন না।’
গত বৃহস্পতিবার সরকারি বিএম কলেজে উপাধ্যক্ষ পদে নন-ক্যাডার অধ্যাপক মো. আবুল কালাম আজাদকে এবং সরকারি মহিলা কলেজে নন-ক্যাডার অধ্যাপক মু. আব্দুস সালাম হাওলাদারকে পদায়ন দেওয়া হয়। এই পদায়নে ক্ষোভে ফুঁসছেন বিসিএস শিক্ষকেরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএম কলেজ ও মহিলা কলেজের দুজন অধ্যাপক জানান, সিনিয়রিটি লঙ্ঘন করে নন-ক্যাডারদের এই পদায়নে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেন হয়েছে মন্ত্রণালয়ে।
‘আমি ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলব।’ — উপাধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন পাওয়া অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল বিভাগের তিন সরকারি কলেজ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিসিএস ক্যাডারভুক্ত শিক্ষকরা, মো. আবুল কালাম আজাদ, মু. আব্দুস সালাম হাওলাদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি কলেজ, ২৪ জন নন-ক্যাডার শিক্ষক, ১০০ জন বিসিএস অধ্যাপক, ১০ লাখ টাকা ঘুষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!