📌 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ডি-নথি ব্যবহারের মাধ্যমে দাপ্তরিক কাজে স্বচ্ছতা ও দ্রুততা আনতে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের নির্দেশনায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন ২৫ জন কর্মকর্তা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে দাপ্তরিক কাজে ডিজিটাল নথি ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের আয়োজনে শুক্রবার (২১ আগস্ট) গাজীপুরের মূল ক্যাম্পাসে প্রশিক্ষণের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো ডি-নথি বিষয়ে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু
- 📌 প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ জন কর্মকর্তা
- 📌 প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন
- 📌 দুই দিনের কর্মসূচিতে ই-নথি ও ডি-নথি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান
📰 বিস্তারিত
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এএসএম আমানুল্লাহর নির্দেশনায় আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো দাপ্তরিক কাজে স্বচ্ছতা, দ্রুততা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। এছাড়া কাগজহীন অফিস ব্যবস্থা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ডিজিটাল নথি ব্যবস্থাপনার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ই-নথি ও ডি-নথি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারেন। এর মধ্যে রয়েছে লগইন প্রক্রিয়া, প্রোফাইল ব্যবস্থাপনা, ডাক আপলোড ও ব্যবস্থাপনা, ডাক ট্র্যাকিং, অনলাইনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নথি উপস্থাপন, নোট লেখা, খসড়াপত্র তৈরি, ডিজিটাল নথি নম্বর ও শাখা কোড ব্যবস্থাপনা।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মুহাম্মদ নাজমুল ইসলাম ও উপ-পরিচালক দ্বিজেন্দ্র চন্দ্র দাস প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণের প্রথম দিনে ডিজিটাল নথি নম্বর, নথির ধরন কোড এবং গ্রুপ প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়।
"জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজিটাল নথি ব্যবস্থাপনা চালু করার মাধ্যমে প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।"
শনিবার (২২ আগস্ট) সমাপনী মূল্যায়নের মধ্য দিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটবে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ফ্যাসিলেটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ কামাল হাছান।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রফেসর ড. এএসএম আমানুল্লাহ (ভাইস চ্যান্সেলর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ জন কর্মকর্তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!