📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাবিপ্রবির পাঁচ শিক্ষকের গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক জার্নাল থেকে প্রত্যাহার

পাবিপ্রবির পাঁচ শিক্ষকের গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক জার্নাল থেকে প্রত্যাহার

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষকের গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক জার্নাল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অসঙ্গতি, তথ্যসূত্রের ত্রুটি ও প্লেজিয়ারিজমের অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) পাঁচ শিক্ষকের গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক জার্নাল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অসঙ্গতি, তথ্যসূত্রের ত্রুটি, চিত্রের ডুপ্লিকেশন, সন্দেহজনক ফলাফল ও উপসংহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে সূত্র জানিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাবিপ্রবির পাঁচ শিক্ষকের গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক জার্নাল থেকে প্রত্যাহার
  • 📌 অভিযোগ: লেখকস্বত্ব ও প্রতিষ্ঠানের পরিচয় নিয়ে অসঙ্গতি, তথ্যসূত্রের ত্রুটি, প্লেজিয়ারিজম, একই তথ্য পুনঃব্যবহার
  • 📌 প্রত্যাহার হওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন ড. মো. নূর আলম, ড. তাহমিনা তাসনীম নাহার, ড. মো. লোকমান আলী, ড. এএইচএম ইফতেখারুল ফেরদৌস ও ড. মো. মতিউর রহমান
  • 📌 সাবেক শিক্ষক ড. হারুনর রশীদ বর্তমানে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত

📰 বিস্তারিত

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষকের গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক জার্নাল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সূত্র জানায়, পিয়ার রিভিউ প্রক্রিয়ায় কারচুপি, গবেষণার তথ্য ও ফলাফলে অসঙ্গতি, প্লেজিয়ারিজম, একই তথ্য পুনঃব্যবহার এবং অপ্রাসঙ্গিক তথ্যসূত্র ব্যবহারের অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

প্রত্যাহার হওয়া গবেষণাপত্র ও সম্পাদকীয় নোটিশ সংরক্ষণকারী ‘রিট্র্যাকশন ওয়াচ’ ডাটাবেইজে অনুসন্ধানে এই তথ্য পাওয়া গেছে। প্রত্যাহার হওয়া গবেষণাপত্রের সঙ্গে পাবিপ্রবির পাঁচ শিক্ষক ও সাবেক এক শিক্ষকের নাম রয়েছে।

বর্তমান শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. তাহমিনা তাসনীম নাহার, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. লোকমান আলী, ইইই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. এএইচএম ইফতেখারুল ফেরদৌস এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মতিউর রহমান। সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. হারুনর রশীদ বর্তমানে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত।

তথ্য অনুযায়ী, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তাহমিনা তাসনীম নাহার ও মতিউর রহমানের যৌথ একটি গবেষণাপত্র প্রত্যাহার হয়েছে। এছাড়া নূর আলম, লোকমান আলী ও ইফতেখারুল ফেরদৌসের একটি করে গবেষণাপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে।

"আমার ক্ষেত্রে একজন রিভিউয়ারের দুটি গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের কারণে রেফারেন্সসংক্রান্ত সমস্যার কথা উল্লেখ করে প্রবন্ধটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জার্নাল কর্তৃপক্ষকে ই-মেইল করেছি।" — অধ্যাপক ড. মো. লোকমান আলী
"আমার গবেষণাপত্রে ভুলবশত একটি উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে ভুল রেফারেন্স ব্যবহার হয়েছিল। বিষয়টি জার্নাল কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে সংশোধনের অনুরোধ করলেও তারা গবেষণাপত্রটি প্রত্যাহার করে নেয়।" — অধ্যাপক ড. তাহমিনা তাসনীম নাহার

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মো. নূর আলম, ড. তাহমিনা তাসনীম নাহার, ড. মো. লোকমান আলী, ড. এএইচএম ইফতেখারুল ফেরদৌস, ড. মো. মতিউর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖