📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিশ্বব্যাংক: ২০২৬ সালে পণ্য দাম ২৩% বাড়তে পারে, জ্বালানি দাম ৩২% বৃদ্ধির আশঙ্কা

বিশ্বব্যাংক: ২০২৬ সালে পণ্য দাম ২৩% বাড়তে পারে, জ্বালানি দাম ৩২% বৃদ্ধির আশঙ্কা

📷 ছবি: আমাদের সময়

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Amader Shomoy ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্বব্যাংক পূর্বাভাস দিয়েছে, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়তে পারে। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খাদ্য ও জ্বালানির দামে তীব্র বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে

বিশ্বব্যাংক ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন, খাদ্যশস্য পরিবহনে বাধা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এতে মূল্যস্ফীতি, খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস: ২০২৬ সালে পণ্য দাম ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে
  • 📌 খাদ্যপণ্যের দাম ২০২৬ সালে ১০ শতাংশ, ২০২৭ সালে আরও ৭ শতাংশ বাড়তে পারে
  • 📌 জ্বালানির দাম ২০২৬ সালে ৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে, তবে ২০২৭ সালে কমে আসার সম্ভাবনা
  • 📌 হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের বিঘ্নে তেল ও গ্যাস সরবরাহে চাপ
  • 📌 ২০২৬ সালে তেল সরবরাহ ৫.২ শতাংশ কমতে পারে — চার দশক পর সর্বোচ্চ পতন
  • 📌 বিশ্বব্যাংক ৮৭০ কোটি ডলার জরুরি সহায়তা দিয়েছে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর

📰 বিস্তারিত

বিশ্বব্যাংকের ‘কমোডিটি মার্কেটস আউটলুক’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পণ্য দামে তীব্র বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের উপপ্রধান অর্থনীতিবিদ আয়হান কোসে বলেন, ‘একসঙ্গে কয়েকটি বড় ধাক্কার মুখে পড়েছে পণ্যের বাজার। জ্বালানির বাড়তি দাম ও বাণিজ্য বিঘ্নিত হওয়ায় বিভিন্ন ধরনের পণ্যের দাম বাড়ছে।’

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালে খাদ্যপণ্যের দাম ১০ শতাংশ বাড়তে পারে। এল নিনোর প্রভাব, সংঘাতের কারণে খাদ্যশস্য পরিবহনে বিঘ্ন এবং জ্বালানি ও সারের উচ্চমূল্য এ বৃদ্ধির পেছনে প্রধান কারণ। এল নিনোর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা বাড়তে পারে, যা বন্যা, খরা ও তাপপ্রবাহের কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে। ফলে খাদ্য সরবরাহে চাপ তৈরি হতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে জ্বালানির দাম ৩২ শতাংশ বাড়তে পারে। তবে ২০২৭ সালে তা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ইরান ও ইউক্রেনের সংঘাত আরও তীব্র না হওয়ার শর্তে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও সার সরবরাহে বিঘ্ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়ায় তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ও সার পরিবহনে চাপ তৈরি হয়েছে।

"একসঙ্গে কয়েকটি বড় ধাক্কার মুখে পড়েছে পণ্যের বাজার। জ্বালানির বাড়তি দাম ও বাণিজ্য বিঘ্নিত হওয়ায় বিভিন্ন ধরনের পণ্যের দাম বাড়ছে।"

বিশ্বব্যাংক সতর্ক করেছে, এল নিনোর প্রভাব আরও তীব্র হওয়া, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে কৃষিপণ্য পরিবহনে নতুন বিঘ্ন এবং জ্বালানির দাম আরও বেড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা একসঙ্গে ঘটলে খাদ্যসংকট দেখা দিতে পারে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ২০২৭ সালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেল গড়ে ১০৫ ডলারে পৌঁছাতে পারে। একই পরিস্থিতিতে খাদ্যপণ্যের দাম পূর্বাভাসের চেয়ে ১২ শতাংশ বেশি হতে পারে, যা ২০২২ সালের মূল্যস্তরকেও ছাড়িয়ে যাবে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ২০২৬ সালে বিশ্বে তেলের সরবরাহ ৫ দশমিক ২ শতাংশ কমতে পারে। মহামারির সময় বাদ দিলে চার দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এটি হবে সরবরাহের সবচেয়ে বড় পতন। উচ্চমূল্যের কারণে চলতি বছর বিশ্বে তেলের ব্যবহার ২ দশমিক ৫ শতাংশ কমতে পারে। কোভিড-১৯ মহামারি ও ১৯৮০ সালের তেলসংকটের পর এটি হবে বার্ষিক ব্যবহারে তৃতীয় বৃহত্তম পতন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিশ্ববাজার, হরমুজ প্রণালি, মধ্যপ্রাচ্য, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ অঞ্চল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আয়হান কোসে (বিশ্বব্যাংকের উপপ্রধান অর্থনীতিবিদ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩%, ১০%, ৭%, ৩২%, ১০৫ ডলার, ৫.২%, ২.৫%

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖