📌 বেসরকারি এলপিজি ব্যবসায়ীরা বিইআরসির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কমিশন বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আজ গণশুনানিতে অংশ নেবেন। গত মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৫০০ টাকায় উন্নীত হওয়া সত্ত্বেও বাজারে অরাজকতা চলছে
বাংলাদেশে এলপিজি ব্যবসায়ীদের কমিশন বাড়ানোর দাবিতে আজ রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে বিইআরসির গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের নিয়ন্ত্রণ সত্ত্বেও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় রয়েছে। ব্যবসায়ীরা কমিশন বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতে যাচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিইআরসি আজ গণশুনানি করছে এলপিজি ব্যবসায়ীদের কমিশন বাড়ানোর দাবি নিয়ে
- 📌 আমদানিকারকরা ২ থেকে ২.৫ গুণ কমিশন বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন
- 📌 পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতারা যথাক্রমে ৩ গুণ ও ১.৫ গুণ কমিশন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন
- 📌 ১২ কেজি সিলিন্ডারের বর্তমান কমিশন ১৯১ টাকা, প্রস্তাবিত কমিশন ৪৭৮ টাকা পর্যন্ত
- 📌 গত সেপ্টেম্বর থেকে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৫০০ টাকা করে বেড়েছে
- 📌 ৩০টি নিবন্ধিত কোম্পানির মধ্যে মাত্র ৬টি নিয়মিত আমদানি করছে
- 📌 বসুন্ধরা ও বেক্সিমকো বর্তমানে ব্যবসা বন্ধ রেখেছে
- 📌 সরকারের উদ্যোগ সত্ত্বেও বাজারে এলপিজি দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে এলপিজি ব্যবসায়ীদের কমিশন বৃদ্ধির গণশুনানি করবে। সরকারের নিয়ন্ত্রণ সত্ত্বেও এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় রয়েছে। ব্যবসায়ীরা কমিশন বাড়ানোর দাবি জানিয়ে বিইআরসির সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতে যাচ্ছেন।
গত বছরের নভেম্বরে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এলপিজি বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। চাহিদার তুলনায় আমদানি কম বলে প্রতিটি সিলিন্ডারে নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা বেশি দাম নেওয়া শুরু হয়। এর ফলে দেশের বহু এলাকায় এলপি গ্যাসের অভাব দেখা দেয়। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ সত্ত্বেও বাজারে এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না। গত সেপ্টেম্বর থেকে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম অন্তত এক হাজার টাকা বাড়িয়ে ২৫০০ টাকায় করা হয়েছে। অক্টোবরে দাম আরও বাড়িয়ে ১৮৩৭ টাকা করা হলেও বাজারে ২৩০০ থেকে ২৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী, ১২ কেজি সিলিন্ডারের কমিশন বর্তমানে ১৯১ টাকা থেকে বাড়িয়ে ওমেরা ৪৭৮ টাকা, পেট্রোম্যাক্স ৩৪৯ টাকা, ডেল্টা ৩৬০ টাকা এবং মেঘনা গ্রুপ ৩০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে পরিবেশকরা ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতারা ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা করার দাবি জানিয়েছেন।
এলপিজি আমদানির ব্যবসায়ে ৩০টি নিবন্ধিত কোম্পানি রয়েছে, এর মধ্যে মাত্র ৬টি নিয়মিত আমদানি করছে। বসুন্ধরা ও বেক্সিমকো বর্তমানে ব্যবসা বন্ধ রেখেছে। সরকারের কড়া হুঁশিয়ারি ও গণশুনানির তারিখ ঘোষণার পরপরই ১৫ ও ১৬ অক্টোবর ধর্মঘটের ডাক প্রত্যাহার করা হয়।
"চাহিদার তুলনায় আমদানি কম—এমন অজুহাত দেখিয়ে প্রতিটি সিলিন্ডারে নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০-৭০০ টাকা বেশি আদায় শুরু করেন বিক্রেতারা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা, বিয়াম মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেসরকারি এলপিজি ব্যবসায়ীরা, বিইআরসি কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০০ টাকা (সিলিন্ডারের বর্তমান দাম), ১৯১ টাকা (বর্তমান কমিশন), ৪৭৮ টাকা (প্রস্তাবিত কমিশন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!