📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এসসিও ফোরামে পাকিস্তান মন্ত্রীর দিল্লি সফর: ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কে নতুন কি সম্ভাবনা?

এসসিও ফোরামে পাকিস্তান মন্ত্রীর দিল্লি সফর: ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কে নতুন কি সম্ভাবনা?

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারত প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের সংস্কৃতিমন্ত্রী আওরঙ্গজেব খান খিচিকে দিল্লিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে এসসিও ফোরামে অংশ নিতে। তবে এই উদ্যোগকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন না নয়াদিল্লি

ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তানের জাতীয় সংস্কৃতিমন্ত্রী আওরঙ্গজেব খান খিচিকে দিল্লিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ২০ থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও) ফোরামে অংশগ্রহণের জন্য এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এই উদ্যোগকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন না।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০-২২ নভেম্বর পর্যন্ত দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে এসসিও ফোরামে পাকিস্তানের সংস্কৃতিমন্ত্রী আওরঙ্গজেব খান খিচির অংশগ্রহণ।
  • 📌 ২০২৫ সালের অপারেশন সিঁদুর পর প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের কোনো মন্ত্রীকে ভারত আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
  • 📌 ২০২৩ সালের মে মাসে গোয়ায় এসসিওর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নেয়েছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি।
  • 📌 ১০ সদস্যদেশ ও ১৫টি পর্যবেক্ষক দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এই ফোরামে।
  • 📌 ২০২৭ সালের আগস্টে পাকিস্তান এসসিওর রাষ্ট্রপ্রধান পর্যায়ের শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করবে।

📰 বিস্তারিত

দিল্লির ঐতিহাসিক পুরানা কেল্লায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ফোরামের উদ্বোধন করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের সংস্কৃতি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এই আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে। এসসিওর সদস্য দেশগুলোর সংস্কৃতিমন্ত্রীদের পাশাপাশি সংস্থাটির ১৫টি সংলাপ সহযোগী ও পর্যবেক্ষক দেশের প্রতিনিধিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই উদ্যোগকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বহুপক্ষীয় সহযোগিতার অংশ হিসেবে দেখছে, না দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নতির ইঙ্গিত হিসেবে।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে চীনের তিয়ানজিনে এসসিওর শীর্ষ সম্মেলনে সভ্যতা সংলাপ ফোরামের প্রস্তাব দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। পরে সংস্থাটি প্রস্তাবটি গ্রহণ করে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো ইউরেশীয় দেশগুলোর মধ্যে সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাড়ানো, অভিন্ন ঐতিহ্য তুলে ধরা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া জোরদার করা।

২০১৬ সালের পাঠানকোট ও উরি হামলার পর থেকে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ২০২৫ সালের পহেলগাঁও হামলা ও পরবর্তী সামরিক সংঘাত সেই উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেয়। তবে দুই দেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্থবির রাখলেও এসসিওর মতো বহুপক্ষীয় মঞ্চে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে এসসিওর সরকারপ্রধান পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে ইসলামাবাদ সফর করেছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

আওরঙ্গজেব খান খিচি সম্মেলনে যোগ দিলে তা হবে ২০২৩ সালের পর ভারতে পাকিস্তানের কোনো মন্ত্রীর প্রথম সফর। তবে এই সফর দ্বিপক্ষীয় বিরোধের অবসান ঘটাবে না। বরং এটি সাংস্কৃতিক ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্র সচল রাখার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

"দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা সামাল দেওয়ার কৌশল হিসেবে এই উদ্যোগকে দেখা হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দিল্লি, পুরানা কেল্লা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আওরঙ্গজেব খান খিচি, নরেন্দ্র মোদি, বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০-২২ নভেম্বর, ১০ সদস্যদেশ, ১৫টি পর্যবেক্ষক দেশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖