📌 সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় এক ঘের থেকে সংগ্রহ করা শেওলা অন্য ঘেরের মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, প্রতি ভ্যান শেওলা বিক্রি হয় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়। বছরের পাঁচ থেকে ছয় মাস এই কাজে নিয়োজিত থাকেন শ্রমিকেরা
সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের শশাডাঙ্গা গ্রামে এক অভিনব জীবিকার দেখা মিলছে। সেখানে এক ঘের থেকে সংগ্রহ করা শেওলা অন্য ঘেরের মাছের খাবার হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, প্রতি ভ্যান শেওলা বিক্রি হয় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শশাডাঙ্গা গ্রামে এক ঘের থেকে সংগ্রহ করা শেওলা অন্য ঘেরের মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে
- 📌 স্থানীয়রা প্রতি ভ্যান শেওলা বিক্রি করেন ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়
- 📌 স্থানীয়ভাবে শেওলাকে 'কাটা শেলা' নামে পরিচিত
- 📌 বছরের পাঁচ থেকে ছয় মাস এই কাজে নিয়োজিত থাকেন শ্রমিকেরা
- 📌 দিনে শ্রমিকেরা আয় করেন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা
📰 বিস্তারিত
গত শুক্রবার সকালে শশাডাঙ্গা গ্রামে দেখা যায়, শ্রমিকেরা ঘের থেকে শেওলা সংগ্রহ করছেন। তাঁরা থার্মোকলের ভেলার ওপর শেওলা স্তূপ করছেন এবং তা বিক্রির জন্য প্রস্তুত করছেন। রাজকুমার গাইন নামে এক শ্রমিক জানান, ঘের পরিষ্কারের পাশাপাশি তাঁর আয়ও হচ্ছে। তিনি বলেন, 'ঘেরও পরিষ্কার হচ্ছে, সঙ্গে আমার আয়ও হচ্ছে।'
খলিলুর রহমান নামে আরেক শ্রমিক জানান, তাঁর ঘেরে শেওলা বেশি হয়ে যাওয়ায় তিনি তা বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, 'আমার ঘেরেই শেওলা বড্ড বেশি হয়ে গিয়েছিল। এমনি এমনি হয়। দেখতে দেখতে ঘের ভরে যায় শেওলায়। এই এক ভ্যান ৭০০ টাকায় বিক্রি করেছি।'
আমিনুর রহমান নামে এক মৎস্যচাষি জানান, তিনি তাঁর ১২ বিঘার ঘেরে রুই, গ্রাস কার্প ও মৃগেলসহ বিভিন্ন মাছ চাষ করেন। তিনি বলেন, 'সাদা মাছ এই শেওলা খুব খায়। তাই মাছের খাবারের জন্য শেওলা কিনে ঘেরে ফেলি।'
"চিংড়ির ঘেরে অতিরিক্ত শেওলা চিংড়ির চলাচলে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি পানিতে সূর্যের আলো প্রবেশে ব্যাঘাত ঘটিয়ে প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে। তাই অতিরিক্ত শেওলা পরিষ্কার করা প্রয়োজন। তবে সেই শেওলা অন্য মাছের ঘেরে খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা গেলে ঘের পরিষ্কারের পাশাপাশি মাছের খাদ্যেরও জোগান হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাতক্ষীরা, দেবহাটা উপজেলা, কুলিয়া ইউনিয়ন, শশাডাঙ্গা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাজকুমার গাইন, খলিলুর রহমান, আমিনুর রহমান, আবু সাঈদ, লুৎফর রহমান, অজিয়ার রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০০ টাকা, ৮০০ টাকা, ১২ বিঘা, ৪০০ টাকা, ৫০০ টাকা, ১৫ বিঘা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!