📌 ভারতের পাঞ্জাবের কাপুরথলা জেলায় এক পরিবার মৃত মনে শেষকৃত্য করে ফেলেছিল তাদের নিখোঁজ ছেলেকে। কিন্তু কারাগার থেকে আসা ফোন কলেই জানা যায়, সে জীবিত এবং পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এক মাস আগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর কারাগারে পাঠানো হয়েছিল সে
ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের কাপুরথলা জেলায় একটি পরিবার মৃত মনে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছিল তাদের নিখোঁজ ছেলেকে। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে কারাগার থেকে আসা একটি ফোন কলেই পুরো ঘটনার চিত্র বদলে যায়। শেষকৃত্য সম্পন্ন করার মাত্র ১৫ দিন পর জানা যায়, তাদের মৃত সন্তান প্রকৃতপক্ষে জীবিত এবং পুলিশের হেফাজতে কারাগারে রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রবি কুমার নামের যুবককে মৃত মনে শেষকৃত্য করলেও কারাগার থেকে ফোন কলেই জানা যায়, সে জীবিত এবং পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
- 📌 ৫ আগস্ট থেকে নিখোঁজ থাকা রবি কুমারকে জলন্ধর পুলিশ ভগুরে ও সন্দেহজনক ঘোরাঘুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার করে ১৩ আগস্ট কারাগারে পাঠানো হয়।
- 📌 ১১ আগস্ট থেকে লাশ শনাক্ত করে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়, কিন্তু ২ সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে আসা ফোন কলেই জানা যায়, সে জীবিত।
- 📌 ৩ সেপ্টেম্বর পরিবার কারাগারে গিয়ে জীবিত অবস্থায় সন্তানকে দেখতে পায়।
- 📌 মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলায় বিষাক্ত মদ পানে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে, আরো ১০ জনেরও বেশি অসুস্থ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
📰 বিস্তারিত
পাঞ্জাবের কাপুরথলা জেলায় নিখোঁজ হওয়া রবি কুমারকে মৃত মনে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছিল তার পরিবার। ৫ আগস্ট থেকে নিখোঁজ থাকা রবি কুমারের পরিবার বহু খোঁজাখুঁজি করেও সে কোথায় আছে সে সম্পর্কে কোনো সন্ধান পায়নি। ১১ আগস্ট কাপুরথলা শহর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি (জিডি) করার পর পুলিশ জানায়, এক যুবকের পোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ পরিবারকে নিহত ব্যক্তির ছবি দেখায়, এবং স্বজনরা লাশটি রবি কুমারের বলে শনাক্ত করে। ১৩ আগস্ট পরিবারের উপস্থিতিতেই শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়।
শোকাহত পরিবার যখন দিন অতিবাহিত করছিল, ২ সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে একটি অপ্রত্যাশিত ফোন কল আসে। কারাগারের কর্মচারী জানান, রবি কুমার নামের এক যুবক কারাগারে বন্দি রয়েছে। পরবর্তীকালে জানা যায়, জলন্ধর পুলিশ ভগুরে ও সন্দেহজনক ঘোরাঘুরির অভিযোগে রবি কুমারকে গ্রেপ্তার করেছিল। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে কাপুরথলা সেন্ট্রাল জেলে পাঠানো হয়।
ফোন কল শুনে পরিবার বিস্মিত ও বিভ্রান্তিতে পড়ে। ৩ সেপ্টেম্বর পরিবারের সদস্যরা কারাগারে গিয়ে জীবিত অবস্থায় রবি কুমারকে দেখতে পান। যে সন্তানকে মৃত মনে শেষকৃত্য করা হয়েছিল, তাকে জীবিত ফিরে পেয়ে পরিবার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। তবে অজ্ঞাত যে ব্যক্তির লাশ দাহ করা হয়েছিল, তার পরিচয় ও পুলিশের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
এই ঘটনার পাশাপাশি, ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের সাগর জেলায় বিষাক্ত মদ পানে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরো ১০ জনেরও বেশি মানুষ রয়েছে।
"আমাদের ছেলেকে মৃত মনে শেষকৃত্য করলাম, কিন্তু কারাগার থেকে আসা ফোন কলেই জানা যায়, সে জীবিত। এখন আমরা শোক থেকে মুক্তি পেয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাঞ্জাব রাজ্য (কাপুরথলা জেলা), মধ্যপ্রদেশ রাজ্য (সাগর জেলা), ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবি কুমার, পরিবারের সদস্যরা, কারাগারের কর্মচারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ দিন, ৫ আগস্ট, ১১ আগস্ট, ১৩ আগস্ট, ২ সেপ্টেম্বর, ৩ সেপ্টেম্বর, ১২ জন মৃত্যু
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!