📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সেনেটে ক্রিপ্টো আইন পাসে ব্যর্থতা: ট্রাম্পের বিলে ৬০ ভোটের অভাব, শেয়ার ও বিটকয়েনে ১০% হ্রাস

সেনেটে ক্রিপ্টো আইন পাসে ব্যর্থতা: ট্রাম্পের বিলে ৬০ ভোটের অভাব, শেয়ার ও বিটকয়েনে ১০% হ্রাস

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আমেরিকার সিনেটে ট্রাম্প সমর্থিত ডিজিটাল এসেট মার্কেট ক্লারিটি অ্যাক্ট পাসে ব্যর্থতা ঘটে। ৬০ ভোটের অভাবের কারণে বিলটি এগিয়ে যেতে পারেনি। ক্রিপ্টো শেয়ার ও বিটকয়েনের মূল্য ১০% পর্যন্ত হ্রাস পায়।

আমেরিকার সিনেটে ট্রাম্প সমর্থিত ডিজিটাল এসেট মার্কেট ক্লারিটি অ্যাক্ট (Digital Asset Market Clarity Act) পাসে ব্যর্থতা ঘটে। বিলটি ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ৬০ ভোটের প্রয়োজন ছিল, কিন্তু সিনেটে ৫০-৪৯ ভোটে পাস হওয়ার পরিবর্তে বিলটি এগিয়ে যেতে পারেনি। এই ব্যর্থতা ক্রিপ্টো শিল্প এবং প্রজাতন্ত্রপন্থী নেতাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আঘাত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যারা এই বিলকে মাসের পর মাস ধরে সমর্থন করছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৬০ ভোটের অভাব: ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থিত ডিজিটাল এসেট মার্কেট ক্লারিটি অ্যাক্ট পাসে ব্যর্থতা ঘটে, ৫০-৪৯ ভোটে সিনেটে এগিয়ে যেতে পারেনি।
  • 📌 ৪ জন প্রজাতন্ত্রপন্থী সিনেটর: জেরি মোরান, র‍্যান্ড পল, জশ হাওলি এবং থম টিলিস এই বিলের বিরুদ্ধে ভোট দেন।
  • 📌 ট্রাম্পের ক্রিপ্টো লাভ: বিলটি পাস হলে ট্রাম্পের পরিবারের ক্রিপ্টো ব্যবসা থেকে বিলিয়ন ডলার লাভের সুযোগ তৈরি হত।
  • 📌 বিটকয়েন ও শেয়ার হ্রাস: বিল পাসে ব্যর্থতার খবর পাওয়ার পর বিটকয়েনের মূল্য ৫% এবং ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ কোয়িনবেসের শেয়ার ১০% পর্যন্ত হ্রাস পায়।
  • 📌 ব্যাংকিং সংস্থাগুলোর প্রতিবাদ: কমিউনিটি ব্যাংকগুলো বিলের কিছু প্রোভিশনকে সমর্থন করেনি, যা স্টেবলকয়িনের উপর পুরস্কার প্রদানের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।

📰 বিস্তারিত

সিনেটে এই বিলের ব্যর্থতা ক্রিপ্টো শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আঘাত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিলটি পাস হলে প্রথমবারের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিজিটাল এসেটের জন্য একটি সম্পূর্ণ জাতীয় নীতি কাঠামো তৈরি হত। তবে, বিলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া চারজন প্রজাতন্ত্রপন্থী সিনেটর এবং সমস্ত ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন বিলটিকে এগিয়ে যেতে দিতে পারেনি।

ম্যাসাচুসেটসের সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন, যিনি সিনেট ব্যাংকিং কমিটির ডেমোক্র্যাটিক চেয়ারম্যান, বলেছেন, এই বিলটি পরিবারদের, জাতীয় নিরাপত্তা এবং অর্থনীতিকে ভয়াবহ ঝুঁকিতে ফেলবে। তিনি আরও বলেন, “এবং যদি এটাই খারাপ না হয়, তাহলে যখন দেশজুড়ে মানুষের জীবনযাপনের খরচ বাড়ছে, এই বিলটি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিলিয়ন ডলার আয়ের সুযোগ তৈরি করবে।”

থম টিলিস তার ভোট পরিবর্তন করেন, যা বিলটিকে পরবর্তীতে পুনরায় বিবেচনার জন্য রাখার সুযোগ দেয়। তবে, বিলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া প্রজাতন্ত্রপন্থী সিনেটরদের মধ্যে কিছুজন স্টেবলকয়িনের উপর পুরস্কার প্রদানের প্রোভিশন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। এই প্রোভিশনগুলো কমিউনিটি ব্যাংকগুলোকে আশঙ্কা করেছিল যে, এটি তাদের থেকে জমা পড়া অর্থকে ক্রিপ্টো শিল্পে আকর্ষণ করবে এবং কৃষক ও ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য অর্থ সরবরাহ কমিয়ে দেবে।

ক্রিপ্টো শিল্পের পক্ষ থেকে বিলের সমর্থনে হাজার হাজার ডলার খরচ করা হয়েছিল। ট্রাম্প, যিনি তার পরিবারের ক্রিপ্টো ব্যবসা থেকে ১.৪ বিলিয়ন ডলার উপার্জন করেছেন, কংগ্রেসকে এই বিল পাস করার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় নিজেকে ‘ক্রিপ্টো প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে পরিচিত করেছিলেন। তবে, বিল পাসে ব্যর্থতার কারণে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (SEC) এবং কমডিটি ফিউচার্স ট্রেডিং কমিশন (CFTC) এখন ক্রিপ্টো নীতিমালা নির্ধারণের দায়িত্বে থাকবে। তবে, শিল্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কংগ্রেস ছাড়া স্থায়ী নীতিমালা তৈরি করা কঠিন হবে।

"এই বিলটি পরিবারদের, জাতীয় নিরাপত্তা এবং অর্থনীতিকে ভয়াবহ ঝুঁকিতে ফেলবে। আর যদি এটাই খারাপ না হয়, তাহলে যখন দেশজুড়ে মানুষের জীবনযাপনের খরচ বাড়ছে, এই বিলটি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিলিয়ন ডলার আয়ের সুযোগ তৈরি করবে।" — ম্যাসাচুসেটসের সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ওয়াশিংটন ডিসি (আমেরিকা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, এলিজাবেথ ওয়ারেন, জেরি মোরান, র‍্যান্ড পল, জশ হাওলি, থম টিলিস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ ভোটের প্রয়োজন ছিল, কিন্তু পাস হয়নি; ৫০-৪৯ ভোটে ব্যর্থতা; ১.৪ বিলিয়ন ডলার (ট্রাম্পের ক্রিপ্টো লাভ); ৫% (বিটকয়েনের হ্রাস); ১০% (কোয়িনবেসের শেয়ার হ্রাস)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖