📌 বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান ড. মো: রফিকুল ইসলাম জানান, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সঙ্কট হবে না। সরকার বর্তমানে ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি ভর্তুকি দিচ্ছে এবং এলপিজি আমদানির জন্য দুটি পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) নতুন চেয়ারম্যান ড. মো: রফিকুল ইসলাম মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা করে জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেও বাংলাদেশ ডিসেম্বর পর্যন্ত জ্বালানি তেলের কোনো সঙ্কট মোকাবেলা করতে সক্ষম। তিনি বলেন, সরকার বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং বেসরকারি খাতে আমদানি নিয়ন্ত্রণের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ড. রফিকুল ইসলাম জানান, ডিসেম্বর পর্যন্ত জ্বালানি তেলের কোনো সঙ্কট নেই এবং সরকার নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করছে।
- 📌 গত মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত ২০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয়েছে এবং ডিসেম্বর পর্যন্ত আরো ১১ হাজার কোটি টাকা লাগতে পারে।
- 📌 বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে হরমুজ, বাব-এল-মানদেব এবং ইস্ট-ওয়েস্ট সঙ্কটের কারণে তেল আমদানিতে চাপ পড়ছে।
- 📌 এলপিজি আমদানির জন্য দুটি পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে: একটি শর্ট-টার্ম চুক্তি এবং ভিএলজিসি মাধ্যমে বাল্ক আমদানি।
- 📌 থার্ড টার্মিনালের চালু হওয়ার আশা করা হচ্ছে ডিসেম্বর মাসে, যা জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করবে।
📰 বিস্তারিত
বিপিসি’র প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত বেশি দামে তেল কিনে কম দামে বিক্রি করা হচ্ছে। এ কারণে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার মতো ভর্তুকি দিতে হয়েছে। ডিসেম্বর পর্যন্ত হয়তো আরো ১১ হাজার কোটি টাকার মতো লাগতে পারে। এটা সরকারের আমদানি ব্যয়ের ওপর একটা চাপ।’ তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান বৈশ্বিক সঙ্কটের কারণে আমাদের হাত নেই, কিন্তু সরকার জনগণের প্রয়োজনে এই চাপ নিচ্ছে।’
বৈশ্বিক জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যে হরমুজ, বাব-এল-মানদেব এবং ইস্ট-ওয়েস্ট সঙ্কটের কারণে তেল আমদানিতে চাপ পড়ছে। ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এই চ্যালেঞ্জগুলোর সামনে পড়তে হচ্ছে, কিন্তু আমরা নিশ্চিত করতে চাই ডিসেম্বর পর্যন্ত আমাদের জ্বালানি সরবরাহ নিরাপদ অবস্থানে রয়েছে।’ তিনি জানান, ‘বর্তমান সময়ে আমাদের তেলের কোনো সঙ্কট নেই এবং আমরা ডিসেম্বর পর্যন্ত অনেকটাই নিরাপদ অবস্থানে আছি।’
এলপিজি আমদানির জন্য বিপিসি দুটি পদ্ধতি নিচ্ছে। একটি হলো শর্ট-টার্ম চুক্তি, যেখানে চুক্তিবদ্ধ কোম্পানিগুলোকে সরবরাহ করা হবে। আরেকটি হলো ভিএলজিসি মাধ্যমে বাল্ক আমদানি, যা এই বছরের শেষের দিকে বা ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে আসতে পারে। তিনি বলেন, ‘এফএসইউ-এর মাধ্যমে আমদানি করার কাজ চলছে এবং ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হচ্ছে।’
"বর্তমান বৈশ্বিক সঙ্কটের কারণে আমাদের হাত নেই, কিন্তু সরকার জনগণের প্রয়োজনে এই চাপ নিচ্ছে। ডিসেম্বর পর্যন্ত আমাদের জ্বালানি সরবরাহ নিরাপদ অবস্থানে রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মো: রফিকুল ইসলাম (বিপিসি চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ হাজার কোটি টাকা (ভর্তুকি), ১১ হাজার কোটি টাকা (আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত লাগতে পারে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!