📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইউজিসির পরিত্যক্ত তিন ডুপ্লেক্স: ১০ কোটি টাকার সরকারি সম্পদ অব্যবহৃত পড়ে থাকায় ক্ষয়ক্ষতি

ইউজিসির পরিত্যক্ত তিন ডুপ্লেক্স: ১০ কোটি টাকার সরকারি সম্পদ অব্যবহৃত পড়ে থাকায় ক্ষয়ক্ষতি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) মিরপুরের আবাসিক এলাকায় নির্মিত তিনটি ডুপ্লেক্স বাড়ি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এসব বাড়িতে চেয়ারম্যান ও সদস্যরা না থেকে সরকারি ভাতা নিয়েছেন

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) মিরপুরের আবাসিক এলাকায় নির্মিত তিনটি ডুপ্লেক্স বাড়ি দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত থাকায় সরকারি সম্পদ হিসেবে ক্ষতির মুখে পড়েছে। প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এসব বাড়িতে ইউজিসির চেয়ারম্যান ও সদস্যরা না থেকে সরকারি ভাতা গ্রহণ করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইউজিসির মিরপুর আবাসিক এলাকায় তিনটি ডুপ্লেক্স বাড়ির দুটি ২০১৫ সাল থেকে এবং একটি ২০১০ সাল থেকে খালি পড়ে আছে
  • 📌 চেয়ারম্যানের জন্য নির্মিত ৩ হাজার ৪০০ বর্গফুট আয়তনের ডুপ্লেক্সে কখনো চেয়ারম্যান বসবাস করেননি
  • 📌 সদস্যদের জন্য নির্মিত দুটি ডুপ্লেক্সে ২০০২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত মোট ১০ জন সদস্য বসবাস করেছেন
  • 📌 অব্যবহৃত থাকায় বাড়িগুলোর দরজা-জানালা ভেঙে গেছে, দেয়ালে শেওলা জমেছে এবং লোহার গ্রিলে মরিচা ধরেছে
  • 📌 ইউজিসির কর্মকর্তারা এখন ভাড়া ভাতা নিয়ে থাকছেন, ফলে সরকারি সম্পদ অব্যবহৃত রয়ে গেছে

📰 বিস্তারিত

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) মিরপুরের আবাসিক এলাকায় নির্মিত তিনটি ডুপ্লেক্স বাড়ি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় সরকারি সম্পদ হিসেবে ক্ষতির মুখে পড়েছে। প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এসব বাড়িতে ইউজিসির চেয়ারম্যান ও সদস্যরা না থেকে সরকারি ভাতা গ্রহণ করেছেন।

ইউজিসির সূত্রমতে, ২০০১ সালে মিরপুরের ১৪ নম্বর এলাকায় প্রায় ৩ একর জায়গার ওপর আবাসিক এলাকাটির নির্মাণকাজ শেষ হয়। এখানে ইউজিসির প্রায় ৪০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ৬৭ জন বসবাস করেন। তবে চেয়ারম্যান ও সদস্যদের জন্য নির্মিত তিনটি ডুপ্লেক্স বাড়ির কোনোটিতেই দীর্ঘদিন ধরে কেউ থাকেননি।

চেয়ারম্যানের জন্য নির্মিত ৩ হাজার ৪০০ বর্গফুট আয়তনের ডুপ্লেক্সে কখনো চেয়ারম্যান বসবাস করেননি। অন্যদিকে সদস্যদের জন্য নির্মিত দুটি ডুপ্লেক্সে ২০০২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত মোট ১০ জন সদস্য বসবাস করেছেন। ২০১৫ সালের পর থেকে সেগুলো খালি পড়ে আছে।

দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় বাড়িগুলোর অবস্থা এখন জরাজীর্ণ। তিনটি বাড়ির সামনে আগাছা ও ঝোপঝাড় বেড়ে উঠেছে। দেয়ালের বিভিন্ন অংশে শেওলা জমেছে। বাড়িগুলোর ভাঙাচোরা দরজা-জানালা দেখেই বোঝা যায়, এখানে অনেক দিন ধরে কেউ থাকেন না। কয়েক বছর আগে বাড়ি তিনটির মূল ফটক ভেঙে গেছে। ভেঙে যাওয়া লোহার দরজাগুলোরও কোনো হদিস নেই। লোহার গ্রিল ও জানালায় জং ধরেছে।

"দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় বাড়িগুলোর রক্ষণাবেক্ষণও হয়নি ঠিকমতো। সংস্কার করতে হলে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুর ১৪ নম্বর, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউজিসির চেয়ারম্যান ও সদস্যরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ কোটি টাকা, ৩ একর, ৪০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী, ৬৭ জন আবাসন সুবিধাপ্রাপ্ত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖