📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজী গ্রুপের উৎপাদন বন্ধের পর টায়ার আমদানি ৫০% বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রা চাপে বাড়ছে খরচ

গাজী গ্রুপের উৎপাদন বন্ধের পর টায়ার আমদানি ৫০% বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রা চাপে বাড়ছে খরচ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দেশে টায়ার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গাজী গ্রুপের কারখানা বন্ধের পর টায়ার আমদানি দুই বছরে ৫০% বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়ছে এবং আমদানি খরচ ৪২৪ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে

দেশে টায়ার উৎপাদনকারী প্রধান প্রতিষ্ঠান গাজী গ্রুপের কারখানা বন্ধের পর টায়ার আমদানি দুই বছরে ৫০% বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়ছে এবং আমদানি খরচ ৪২৪ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৬৪ লাখ টায়ার আমদানি হয়েছিল, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৯৬ লাখে উন্নীত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৬৪ লাখ টায়ার আমদানি হলেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা বেড়ে ৯৬ লাখে দাঁড়িয়েছে — ৫০% বৃদ্ধি
  • 📌 টায়ার আমদানিতে খরচ বেড়েছে ২ হাজার ১০৩ কোটি টাকা থেকে ২ হাজার ৫৬৭ কোটি টাকা — ৪২৪ কোটি টাকা বৃদ্ধি
  • 📌 গাজী গ্রুপের কারখানা বন্ধের পর অন্য কারখানাগুলো উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ালেও টায়ার আমদানি বাড়ছে
  • 📌 বাস-ট্রাকের টায়ার আমদানি ৪৭% বৃদ্ধি পেয়েছে, মোটরসাইকেলের টায়ার আমদানি ৪৯% বৃদ্ধি পেয়েছে
  • 📌 গাজী টায়ারের কারখানায় বছরে ৪৫-৫০ লাখ টায়ার উৎপাদন সক্ষমতা ছিল, যা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে

📰 বিস্তারিত

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, টায়ার আমদানি বাড়ার সাথে সাথে বৈদেশিক মুদ্রার চাপও বাড়ছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে টায়ার আমদানিতে খরচ হয়েছিল ২ হাজার ১০৩ কোটি টাকা, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৬৭ কোটি টাকা। এই বৃদ্ধির মূল কারণ হিসেবে গাজী গ্রুপের কারখানা বন্ধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। গাজী গ্রুপের মালিকানায় রয়েছেন সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী।

গাজী টায়ারের কারখানায় বছরে ৪৫-৫০ লাখ টায়ার ও টিউব উৎপাদন সক্ষমতা ছিল। দেশের বাজারে রিকশা ভ্যানের টায়ারের প্রায় অর্ধেক এবং বাস-ট্রাক ও অটোর টায়ার-টিউবের প্রায় ৪০ শতাংশ তাদের দখলে ছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গাজী টায়ারের দুই কারখানায় লুট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। হামলা ও অগ্নিসংযোগের পর দুই বছর পেরিয়ে গেলেও উৎপাদনে ফিরতে পারেনি গাজী গ্রুপের দুই টায়ার কারখানা।

উৎপাদনে ফিরতে না পারলেও আমদানি করে ব্যবসায় টিকে থাকার চেষ্টা করছে গাজী টায়ার ও গাজী অটো টায়ার। অন্যদিকে, আরএফএল গ্রুপ তাদের হবিগঞ্জ শিল্পপার্কে মাসে ৮ লাখ পিস টায়ার উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। তবে এই শিল্পগ্রুপ যেসব টায়ার উৎপাদন করে, তার ৮০ শতাংশই সাইকেল, রিকশা ও ভ্যানের টায়ার। চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাস ও ট্রাকের টায়ার উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে আরএফএল গ্রুপ।

"আমরা বাজারে চাহিদা বিশ্লেষণ করে দেখছি। ইতিবাচক ফিডব্যাক পেলে দ্রুতই উৎপাদনে যাব। রাজধানী থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত এলাকায় অটোরিকশার চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। সেই তুলনায় উৎপাদন খুব বেশি বাড়েনি। আর্থসামাজিক কারণেও গত দুই বছরে এই খাতে খুব বেশি বিনিয়োগ হয়নি।" — আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সারাদেশ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গোলাম দস্তগীর গাজী (গাজী গ্রুপের মালিক), কামরুজ্জামান কামাল (আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০% (টায়ার আমদানি বৃদ্ধি), ৯৬ লাখ (২০২৫-২৬ অর্থবছরে আমদানি), ৪২৪ কোটি টাকা (আমদানি খরচ বৃদ্ধি), ৪৫-৫০ লাখ (গাজী টায়ারের বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖