📌 জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের তৃতীয় দফা অনানুষ্ঠানিক ভোটেও কোনো প্রার্থী স্পষ্টভাবে এগিয়ে যেতে পারেনি। আটজন প্রার্থীর মধ্যে ক্যারোলিন রদ্রিগেজ-বার্কেট সামান্য এগিয়ে থাকলেও, ভোটের ফলাফল অস্পষ্ট রেখেছে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলেছে
জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনের তৃতীয় দফা অনানুষ্ঠানিক ভোটেও কোনো প্রার্থী স্পষ্টভাবে এগিয়ে যেতে পারেনি। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এই গোপন ভোটে আটজন প্রার্থীর মধ্যে ক্যারোলিন রদ্রিগেজ-বার্কেট সামান্য এগিয়ে থাকলেও, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অস্পষ্টতা বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সংকট অব্যাহত থাকবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তৃতীয় দফা ভোটেও কোনো প্রার্থী স্পষ্টভাবে এগিয়ে না যাওয়ায় জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।
- 📌 গায়ানার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিন রদ্রিগেজ-বার্কেট দ্বিতীয় দফায় সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন, কিন্তু তৃতীয় দফায়ও স্পষ্ট বিজয়ী হননি।
- 📌 নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে ৯টি ভোট পেতে হবে এবং স্থায়ী পাঁচ সদস্যের (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া) কারও ভেটো পড়বে না।
- 📌 নানা সংকটে থাকা জাতিসংঘে নারী মহাসচিবের দাবি তুলে ধরেছেন নিরাপত্তা পরিষদের কিছু সদস্য।
- 📌 ভোটের ফলাফল প্রকাশ না করলেও নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি জেরোম বোনাফন্ট জানান, তৃতীয় দফার খসড়া ভোট সম্পন্ন হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘের বার্ষিক সাধারণ অধিবেশনের আগে নিউইয়র্কে বিশ্বনেতারা জড়ো হচ্ছেন। নতুন মহাসচিব নির্বাচনের তৃতীয় দফা অনানুষ্ঠানিক ভোটে কোনো প্রার্থী স্পষ্টভাবে এগিয়ে যেতে পারেননি। এই গোপন ভোটে অংশগ্রহণকারী ১৫ সদস্যের মধ্যে ৯টি ভোট পেতে হবে এবং স্থায়ী পাঁচ সদস্যের কারও ভেটো পড়বে না। তবে বর্তমানে এই পাঁচ দেশের মধ্যে গভীর বিভক্তি রয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলেছে।
দ্বিতীয় দফায় গায়ানার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিন রদ্রিগেজ-বার্কেট সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান, আর তৃতীয় স্থানে ছিলেন আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রোসি। অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন সেনেগালের ম্যাকি স্যাল, ইকুয়েডরের ইভন এ-বাকি ও মারিয়া ফার্নান্দা এস্পিনোসা, চিলির মিশেল ব্যাসেলেট এবং উগান্ডার ওলারা ওতুন্নু।
নিরাপত্তা পরিষদের ভেটো ক্ষমতাসম্পন্ন পাঁচ সদস্য হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স ও রাশিয়া। একটি কূটনীতিক বলেছেন, ‘যদি অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এমন কিছু ঘটে, তবে সেটি বড় সংকট তৈরি করবে।’
মহাসচিব নির্বাচনের জন্য প্রতিটি সদস্য গোপন ব্যালটে প্রার্থীদের মূল্যায়ন করে। প্রতিটি ব্যালটে তিনটি বিকল্প থাকে: ‘উৎসাহিত করা’, ‘নিরুৎসাহিত করা’ অথবা ‘মতামত নেই’। তবে স্থায়ী পাঁচ সদস্যকে ভিন্ন রঙের ব্যালট দেওয়া হবে, যা তাদের ভেটো দেওয়ার সম্ভাবনা বোঝা যাবে।
“অযৌক্তিক, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও তথাকথিত ‘ওক’ মতাদর্শ সংস্থাটির কার্যকারিতা নষ্ট করেছে। নতুন মহাসচিবকে অবশ্যই বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার মূল দায়িত্বে জাতিসংঘকে ফিরিয়ে আনতে হবে।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (জাতিসংঘ সদর দপ্তর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্যারোলিন রদ্রিগেজ-বার্কেট, রাফায়েল গ্রোসি, জেরোম বোনাফন্ট, আন্তোনিও গুতেরেস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ সদস্য (নিরাপত্তা পরিষদ), ৯ ভোট (অবশ্যই পেতে হবে), ৫ সদস্য (ভেটো ক্ষমতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!