📌 জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম ভাষণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন বাংলাদেশের রোডম্যাপ, রোহিঙ্গা সমাধান ও বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিলের দাবি তুলে ধরবেন। ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ নীতিগুলোও আলোচনা করা হবে
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম ভাষণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের রোডম্যাপ, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান এবং বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিলের দাবি তুলে ধরবেন। ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২৪ সেপ্টেম্বর রাতে** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভাষণ; আলোচনা হবে নতুন বাংলাদেশের রোডম্যাপ, রোহিঙ্গা সমাধান ও জলবায়ু তহবিলের দাবি
- 📌 **২১ সেপ্টেম্বর রাতে** ঢাকা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর সফর; **২৩ সেপ্টেম্বর রাতে** মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৈশভোজে অংশগ্রহণ
- 📌 **সুইডেন ও ইউনিসেফের** সাথে যৌথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী **মাতৃ ও নবজাতক মৃত্যু রোধে** মিডওয়াইফারি সেবার গুরুত্ব তুলে ধরবেন; **২৫ হাজার পেশাদার মিডওয়াইফ** পদ সৃষ্টির অঙ্গীকার
- 📌 **বৈশ্বিক উষ্ণতার ক্ষতিপূরণ** ও **অনুদানভিত্তিক জলবায়ু তহবিল** নিশ্চিত করতে সরকারের দাবি; **২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ**, **খাল খনন** ও **নবায়নযোগ্য জ্বালানি** বৃদ্ধির উদ্যোগ তুলে ধরা হবে
- 📌 **২৬ সেপ্টেম্বর রাতে** বাংলাদেশ সময়ে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা; সফর শেষে **বিশ্ব দরবার থেকে বড় বিনিয়োগ** আকাঙ্ক্ষা
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণে নতুন বাংলাদেশের রোডম্যাপের পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান এবং বৈশ্বিক উষ্ণতায় ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের দাবি উঠবে। তিনি **বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিলের** অনুদানভিত্তিক নিশ্চয়তা এবং **ক্ষতিপূরণের** দাবি তুলে ধরবেন।
স্বাস্থ্য খাতে প্রধানমন্ত্রী **‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’** উদ্যোগের কথা তুলে ধরবেন। তিনি **২৫ হাজার পেশাদার মিডওয়াইফ** পদ সৃষ্টির অঙ্গীকার করবেন এবং **হাসপাতালের চিকিৎসা**র পরিবর্তে **তৃণমূলের প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা** মডেলের গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরবেন। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন **মেক্সিকো, নেপাল, সিয়েরা লিওন, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডের** স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা।
পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে **পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ**, **দেশজুড়ে খাল খনন** এবং **নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি**। এই উদ্যোগগুলোর কথা জাতিসংঘের অধিবেশনে তুলে ধরা হবে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ জানিয়েছেন, **বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্য দায়ী দেশগুলোর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ** চাওয়া হবে।
সফর শেষে **২৬ সেপ্টেম্বর রাতে** বাংলাদেশ সময়ে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার কথা রয়েছে। সফর শেষে বাংলাদেশের **পরিবেশবান্ধব নীতি ও সংস্কার** উদ্যোগের কথা তুলে ধরে বিশ্ব দরবার থেকে **বড় বিনিয়োগের প্রত্যাশা** রয়েছে।
"বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্য দায়ী দেশগুলোর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হবে। অনুদানভিত্তিক জলবায়ু তহবিল নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতিসংঘ সদর দপ্তর (নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র), ঢাকা, সুইডেন, ফিলিপাইন, আফ্রিকা, মেক্সিকো, নেপাল, থাইল্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা (মেক্সিকো, নেপাল, সিয়েরা লিওন, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ হাজার (পেশাদার মিডওয়াইফ পদ), ২৫ কোটি (বৃক্ষরোপণ), ২১ সেপ্টেম্বর (সফর শুরু), ২৩ সেপ্টেম্বর (ট্রাম্পের নৈশভোজ), ২৪ সেপ্টেম্বর (জাতিসংঘ ভাষণ), ২৬ সেপ্টেম্বর (দেশে ফেরার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!