📌 সিলেট অঞ্চলের কৃষির অপার সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারের নতুন প্রকল্পের উদ্যোগ। জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচ সম্প্রসারণ ও অপ্রচলিত ফসল চাষে গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
সিলেট অঞ্চলের কৃষির অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। পতিত ও একফসলি জমিকে বহুফসলি জমিতে রূপান্তর, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিলেট অঞ্চলের কৃষির সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারের নতুন প্রকল্প গ্রহণ
- 📌 পতিত ও একফসলি জমিকে বহুফসলি জমিতে রূপান্তরের পরিকল্পনা
- 📌 জলাবদ্ধতা নিরসন ও সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি
- 📌 আগাম তরমুজ চাষের সাফল্য ও বিট চাষের সম্ভাবনা যাচাইয়ের উদ্যোগ
- 📌 সিলেট বিভাগের কৃষি ও প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণের ঘোষণা
📰 বিস্তারিত
সিলেট অঞ্চলের কৃষির অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। গতকাল সিলেট নগরীর হোটেল মেট্রোর সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য, শিল্প ও বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সিলেটের হাওর ও নিম্নাঞ্চলের অনেক এলাকায় বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে পানি জমে থাকে। এসব এলাকার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা গেলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমি চাষাবাদের আওতায় আনা সম্ভব হবে।
একইভাবে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে এক ফসলি জমিকে দুই ফসলি এবং দুই ফসলি জমিকে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তর করা যেতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি। খাল খননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।
তিনি সিলেটে আগাম তরমুজ চাষের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে বলেন, নতুন ও অপ্রচলিত কৃষিপণ্যের চাষ কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে। মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলের মতো শীতপ্রবণ এলাকায় বিট চাষের সম্ভাবনা যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির (বাণিজ্যমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৬-২৭ অর্থবছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!