📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ময়মনসিংহ দুর্ঘটনায় এক পরিবারের চার সদস্য নিহত, বিলাপে পড়েন মাতৃস্বজন

ময়মনসিংহ দুর্ঘটনায় এক পরিবারের চার সদস্য নিহত, বিলাপে পড়েন মাতৃস্বজন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহের রহমতপুর বাইপাসে রাজীব পরিবহনের বাসের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে সাতজন নিহত হন, এর মধ্যে এক পরিবারের চার সদস্য। অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে ও তার পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুর খবর শুনে মাতৃস্বজন বিলাপে পড়েছেন

ময়মনসিংহের রহমতপুর বাইপাসে দুর্ঘটনায় এক পরিবারের চার সদস্য নিহত হওয়ার খবর শুনে তাদের মাতৃস্বজন বিলাপে পড়েছেন। গত শুক্রবার দুপুরে সেখানে রাজীব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে সাতজন নিহত হন, এর মধ্যে ছয়জন জামালপুরের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন ছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ময়মনসিংহের দাপুনিয়া হাড়গুজির পাড়ে দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত, এর মধ্যে এক পরিবারের চার সদস্য
  • 📌 নিহতদের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে মর্জিনা (২৫) ও তার পিতা মোফাজ্জল হোসেন (৫৫), মা রাশিদা বেগম (৮৫) ও পাঁচ বছর বয়সী নাতি মিনাল
  • 📌 দুর্ঘটনার পর মাতৃস্বজন রহিমা বেগম (৭০) বিলাপে পড়েন: ‘আমার জামাই, নাতিন আর পুতিও মইরা গেছে, সব হারাইছি’
  • 📌 প্রতিবেশী সোহেল রানা অভিযোগ করেন, রাজীব পরিবহনের বাসের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে
  • 📌 নিহতদের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা মর্জিনা সুষ্ঠু বিচার চেয়েছেন

📰 বিস্তারিত

ময়মনসিংহের রহমতপুর বাইপাসের দাপুনিয়া হাড়গুজির পাড় এলাকায় গত শুক্রবার দুপুরে রাজীব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে সাতজন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ছয়জন জামালপুরের বাসিন্দা, যাদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন ছিলেন। তারা হলেন জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর ভাটিপাড়া গ্রামের মোফাজ্জল হোসেন (৫৫), তাঁর মা রাশিদা বেগম (৮৫), বিবাহিত মেয়ে মর্জিনা (২৫) ও তার পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মিনাল। নিহত অপর দুজন হলেন একই ইউনিয়নের বীর গোবিন্দবাড়ী গ্রামের সুজন আলী (৩৪) ও নান্দিনা বাদেচান্দি গ্রামের আকরাম আলী (৪৮)। নিহত নারী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা ছিলেন।

মোফাজ্জল হোসেন পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন। তিনি স্ত্রী ও এক ছেলেকে নিয়ে দীর্ঘদিন গাজীপুরের হোতাপাড়া এলাকায় থাকতেন। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মা রাশিদা বেগম, দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে মর্জিনা ও নাতি মিনালকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। নান্দিনা থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ময়মনসিংহ যাওয়ার কথা ছিল। সেখান থেকে বাসে করে গাজীপুরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই ময়মনসিংহে বাসের চাপায় অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে তাঁরা নিহত হন।

দুর্ঘটনার খবর শুনে দড়িহামিদপুর ভাটিপাড়া গ্রামে মোফাজ্জল হোসেনের বাড়িতে মাতম শুরু হয়। স্বজন হারানোর খবর পেয়ে আশপাশের গ্রামের মানুষও সেখানে উপস্থিত হন। মোফাজ্জলের শাশুড়ি রহিমা বেগম (৭০) বিলাপে পড়েন। তিনি বলেন, ‘আমার যা লাগত, সবই জামাই দিত। আমারে সবাই আদর করত। আমার জামাইয়ের চেয়ে নাতিরা আবার বেশি আদর করত। এহন সব শেষ হয়ে গেল।’

প্রতিবেশী সোহেল রানা বলেন, ‘আমার দেবর গাজীপুরে থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। গতকাল বাড়িতে এসেছিলেন আমার শাশুড়ি, ভাতিজি ও নাতিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। আমার ভাতিজি দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। একসঙ্গে সবাইকে হারিয়ে আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি।’

"আমার জামাই, নাতিন আর পুতিও মইরা গেছে, সব হারাইছি। আমার সব শেষ গো, আল্লাহ গো।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ময়মনসিংহের রহমতপুর বাইপাস, দাপুনিয়া হাড়গুজির পাড়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রহিমা বেগম (৭০), মোফাজ্জল হোসেন (৫৫), রাশিদা বেগম (৮৫), মর্জিনা (২৫), মিনাল (৫), সোহেল রানা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ বছর (রহিমা বেগম), ৫৫ বছর (মোফাজ্জল), ৮৫ বছর (রাশিদা), ২৫ বছর (মর্জিনা), ৫ বছর (মিনাল), ১১:৩০ (দুর্ঘটনার সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖