📌 সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে শুক্রবার সন্ধ্যায় শুরু হয়েছে এলএনজি সরবরাহ। প্রাথমিকভাবে প্রতি ঘণ্টায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হলেও ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে
সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের মধ্য দিয়ে টার্মিনালটির যাত্রা শুরু হয়। সামিটের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ধাপে ধাপে সরবরাহ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে আগামী ১৫ আগস্ট রাত ২টার দিকে প্রায় পূর্ণ ক্ষমতা হিসেবে প্রতি ঘণ্টায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে শুরু হয়েছে এলএনজি সরবরাহ
- 📌 প্রাথমিক সরবরাহ ক্ষমতা ছিল প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রতি ঘণ্টায়
- 📌 ধাপে ধাপে সরবরাহ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে পৌঁছানো হবে ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে
- 📌 গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে শিল্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতের জ্বালানি প্রাপ্যতা বাড়বে বলে জানিয়েছে সামিট
📰 বিস্তারিত
সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের মধ্য দিয়ে টার্মিনালটির কার্যক্রম শুরু হয়। সামিট এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ধাপে ধাপে সরবরাহ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে আগামী ১৫ আগস্ট রাত ২টার দিকে প্রায় পূর্ণ ক্ষমতা হিসেবে প্রতি ঘণ্টায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এই গ্যাস সরবরাহ দেশের শিল্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতসহ অন্যান্য গ্রাহকের জ্বালানি প্রাপ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে। একইসঙ্গে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি বৃদ্ধি এবং দেশের জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
সামিট এলএনজি জানায়, টার্মিনাল ও জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন ব্যবস্থার কারিগরি সক্ষমতার মধ্যে থেকে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য কার্যক্রম বজায় রেখে সর্বোচ্চ পরিমাণ গ্যাস সরবরাহে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিষ্ঠানটির মতে, পর্যাপ্ত ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ বাংলাদেশের শিল্পের প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
"পর্যাপ্ত ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ বাংলাদেশের শিল্পের প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গ্যাসের ঘাটতি কমাতে পেট্রোবাংলা ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানিয়েছে সামিট।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সামিট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট, ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!