📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মিরপুরে শ্রমিকদের মজুরি দাবিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ, পেটানো হামলা

মিরপুরে শ্রমিকদের মজুরি দাবিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ, পেটানো হামলা

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় মাসিক ৩০ হাজার টাকার মজুরি দাবিতে আন্দোলনরত পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। পল্লবী থানার ওসি জালাল উদ্দিন জানান, সড়কে অবরোধ করতে দেওয়া হচ্ছে না এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে

মিরপুরে মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা দাবিতে আন্দোলনরত পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংঘর্ষ শুরু হয় এবং বর্তমানে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে। পুলিশ জানায়, প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার শ্রমিক সড়কে অবস্থান করছেন এবং তাদের সরিয়ে দিতে অভিযান শুরু করা হয়। অন্যদিকে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় মাসিক ৩০ হাজার টাকার মজুরি দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে
  • 📌 মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টায় মিরপুর-১১ নম্বর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংঘর্ষ শুরু হয়, বর্তমানে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে
  • 📌 পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আন্দোলনস্থলে প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার শ্রমিক অবস্থান করছেন
  • 📌 পল্লবীর কালশী রোডেও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে, শ্রমিকরা পুলিশকে পেটাচ্ছেন
  • 📌 পল্লবী থানার ওসি জালাল উদ্দিন বলেন, সড়কে শ্রমিকদের অবরোধ করতে দেওয়া হচ্ছে না এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে

📰 বিস্তারিত

মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন শুরু হয় মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা দাবিতে। পুলিশের অভিযান শুরু হলে শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে চেষ্টা করছে। অন্যদিকে শ্রমিকরা প্রতিরোধ হিসেবে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করছেন। সংঘর্ষের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের চেষ্টা চলছে।

পল্লবী থানার ওসি জালাল উদ্দিন জানান, সড়কে শ্রমিকদের অবরোধ করতে দেওয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা চেষ্টা করছি। পল্লবীর কালশী রোডেও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে শ্রমিকরা পুলিশকে পেটাচ্ছেন।

মিরপুর-১১ নম্বর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে। পুলিশের অভিযান এবং শ্রমিকদের প্রতিরোধের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি এখনও অব্যাহত রয়েছে।

"সড়কে শ্রমিকদের অবরোধ করতে দেওয়া হচ্ছে না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা চেষ্টা করছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুর-১১ নম্বর বাসস্ট্যান্ড, মিরপুর; পল্লবীর কালশী রোড, রাজধানী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি জালাল উদ্দিন, শ্রমিকরা, পুলিশ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ হাজার টাকা (মাসিক মজুরি দাবি), ৭ থেকে ৮ হাজার (শ্রমিক), ১১ নম্বর (মিরপুর এলাকা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖