📌 টিসিবি চলতি অর্থবছরে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য ক্রয়ের মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে উদ্যোগ নিয়েছে। ভোজ্যতেল, ডাল, চিনি, ছোলা ও খেজুর সংগ্রহের পাশাপাশি গুদাম ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে
ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য ক্রয়ের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ভোজ্যতেল, মসুর ডাল, চিনি, ছোলা ও খেজুর সংগ্রহের মাধ্যমে ভোক্তাদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংস্থাটি কাজ করছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চলতি অর্থবছরে টিসিবির মোট ক্রয় পরিকল্পনার পরিমাণ প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা
- 📌 স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে ক্রয় করা হবে প্রায় ২২ কোটি লিটার ভোজ্যতেল, ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল, ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন চিনি, ১৪ হাজার মেট্রিক টন ছোলা ও ৪ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন খেজুর
- 📌 টিসিবির নিজস্ব ৯টি ও ভাড়ায় নেওয়া ৩১টি গুদাম মিলিয়ে মোট ধারণক্ষমতা প্রায় ৪৮ হাজার ৩৭০ মেট্রিক টন
- 📌 টিসিবি চেয়ারম্যান জানান, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহ বেশি প্রতিযোগিতামূলক হলে বিদেশ থেকে ক্রয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি করা হবে
- 📌 সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা কমাতে প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য ক্রয় ও সামান্য মুনাফায় বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে
📰 বিস্তারিত
টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ জানান, নিত্যপণ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে চলতি অর্থবছরের জন্য একটি বিস্তৃত ক্রয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। স্থানীয় উৎস থেকে প্রায় অর্ধেক এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বাকি অর্ধেক পণ্য সংগ্রহ করা হবে। তবে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহ বেশি নির্ভরযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক হলে বিদেশ থেকে ক্রয়ের পরিমাণ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
টিসিবির বর্তমান গুদাম ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে গুদাম সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির মোট ৪০টি গুদাম রয়েছে, যার ধারণক্ষমতা প্রায় ৪৮ হাজার ৩৭০ মেট্রিক টন। নিজস্ব গুদামের ধারণক্ষমতা ১৩ হাজার ৩৭১ মেট্রিক টন এবং ভাড়ার গুদামের ধারণক্ষমতা ৩৪ হাজার ৯৯৯ মেট্রিক টন।
টিসিবি চেয়ারম্যান আরও জানান, সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা কমাতে প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য ক্রয় ও সামান্য মুনাফায় বিক্রির মাধ্যমে ভর্তুকি নির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘টিসিবি বছরে প্রায় আড়াই লাখ মেট্রিক টন ভোজ্যতেল সরবরাহ করে, যা দেশের মোট বাজারের প্রায় ১৫ শতাংশ।’
"আন্তর্জাতিক বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহ বেশি প্রতিযোগিতামূলক ও নির্ভরযোগ্য হলে বিদেশ থেকে সংগ্রহের পরিমাণ বাড়ানো হতে পারে। চলমান কার্যক্রমের জন্য টিসিবির বর্তমান মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক। সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা কমাতেও কাজ করছে টিসিবি।"
টিসিবি ইতোমধ্যে ভোজ্যতেল, ডাল ও চিনির পাশাপাশি পরীক্ষামূলকভাবে সাবান, ডিটারজেন্ট ও লবণ বিক্রি শুরু করেছে। ভবিষ্যতে আটা, বিভিন্ন মসলা, মরিচ ও হলুদ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। টিসিবির প্রায় ৮০ লাখ স্মার্ট কার্ড অনুমোদিত হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৭৫ লাখ কার্ড ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ (টিসিবি চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ হাজার কোটি টাকা (ক্রয় পরিকল্পনা), ২২ কোটি লিটার (ভোজ্যতেল), ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন (মসুর ডাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!