📅 ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাগুরা পৌর এলাকায় বন্ধ পানি শোধনাগার: দুর্গন্ধযুক্ত পানি সরবরাহে সংকটের কেন্দ্রে ৯ কোটি টাকার প্রকল্প

মাগুরা পৌর এলাকায় বন্ধ পানি শোধনাগার: দুর্গন্ধযুক্ত পানি সরবরাহে সংকটের কেন্দ্রে ৯ কোটি টাকার প্রকল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মাগুরা পৌর এলাকায় একমাত্র পানি শোধনাগার বন্ধ থাকায় গ্রাহকরা দুর্গন্ধযুক্ত পানি পাচ্ছেন। ৯ কোটি টাকায় নির্মিত এই প্রকল্পের অকেজো অবস্থায় পানি সরাসরি সরবরাহ হচ্ছে। বাসিন্দারা রোগের আশঙ্কায় পানি ফেলে দিচ্ছেন

মাগুরা পৌর এলাকায় পানির মান নিয়ে দিন দিন বাড়ছে বাসিন্দাদের অভিযোগ। একমাত্র পানি শোধনাগার বন্ধ থাকায় সরাসরি ভূগর্ভস্থ পানি সরবরাহের ফলে দুর্গন্ধযুক্ত ও নোংরা পানি গ্রাহকদের বাড়িতে পৌঁছাচ্ছে। ৯ কোটি টাকায় নির্মিত এই প্রকল্পের অকেজো অবস্থায় পানি শোধন ছাড়াই সরাসরি গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাচ্ছে। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে জানা গেছে, ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর মাগুরা পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের অন্তত ১০ জন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলা হয়। প্রতিটি এলাকার বাসিন্দারা পানি সরবরাহের মান নিয়ে অভিযোগ করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাগুরা পৌরসভার একমাত্র পানি শোধনাগার ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে বন্ধ থাকায় পানি সরাসরি সরবরাহ হচ্ছে
  • 📌 ৯ কোটি টাকায় নির্মিত শোধনাগার বন্ধ থাকায় পানি শোধন ছাড়াই সরবরাহ হচ্ছে, ফলে দুর্গন্ধযুক্ত ও নোংরা পানি গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাচ্ছে
  • 📌 পানি শোধনাগারের অভিজ্ঞ জনবল ও সরঞ্জামের অভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়নি, ফলে ফিল্টার পরিবর্তন সম্ভব হয়নি
  • 📌 মাগুরা পৌরসভার পানি শোধনাগার প্রকল্পের নির্মাণে ৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল
  • 📌 পৌর এলাকায় পানির মোট গ্রাহক প্রায় ৪ হাজার ২০০, সরবরাহ লাইন প্রায় ১০০ কিলোমিটার
  • 📌 পানি সরবরাহের সময়সূচী: সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৯টা এবং দুপুর ১২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত

📰 বিস্তারিত

মাগুরা পৌরসভার পানি সরবরাহের কেন্দ্রীয় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে একমাত্র পানি শোধনাগারের অকেজো অবস্থা। ২০১৯ সালের জুলাই মাসে শিমুলিয়া এলাকায় চালু হওয়া এই প্রকল্পের নির্মাণে ৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর নির্মাণ করে পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। চারটি পাম্পের মাধ্যমে ঘণ্টায় ৩৫০ ঘনমিটার পানি শোধনের সক্ষমতা ছিল এই শোধনাগারের। তবে প্রকল্প চালুর পর থেকে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এটি বন্ধ হয়ে পড়েছে।

মাগুরা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান বারি প্রথম আলোকে বলেন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও অভিজ্ঞ জনবলের অভাবে শোধনাগারটি যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। ফিল্টার উপাদান পরিবর্তন করা যায়নি, ফলে শোধনাগারটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তিনি আরও বলেন, নতুন ফিল্টার উপাদান বসিয়ে শোধনাগারটি আবার চালু করতে ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকা প্রয়োজন।

বাসিন্দা সজীব আহমেদের অভিযোগ, গত কয়েক বছর সকালে প্রথম এক থেকে দেড় ঘণ্টা লাইন দিয়ে দুর্গন্ধযুক্ত পানি আসে। তিনি বলেন, এই সময়ের পানি ব্যবহার করা যায় না। সকালে এক–দেড় ঘণ্টা পানি ফেলে দেওয়ার পর যে পানি আসে, সেটা ব্যবহার করা যায়। এই পানিতে যেকোনো সময় পরিবারের সদস্যরা জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

মাগুরা পৌরসভার পানি শোধনাগার প্রকল্পে গিয়ে দেখা যায়, যেখানে পানি শোধন হতো, সেখানে ময়লার গাঢ় আস্তরণের পাশাপাশি ঘাস-লতাপাতা জন্মেছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থেকে জেনারেটরসহ অনেক সরঞ্জাম বিকল হয়ে পড়েছে। পৌর এলাকায় পানির মোট গ্রাহক প্রায় ৪ হাজার ২০০। সরবরাহ লাইন আছে প্রায় ১০০ কিলোমিটার। প্রতিটি সংযোগের জন্য মাসে ১৩ থেকে ১৪ লাখ টাকা বিল পায় পৌর কর্তৃপক্ষ।

"সেভেন টাউন ওয়াটার সাপ্লাই’ প্রকল্পের আওতায় পুরোনো শোধনাগারটি সংস্কারের পাশাপাশি নতুন দুটি শোধনাগার নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া পুরো পৌর এলাকায় আড়াই শ কিলোমিটার নতুন পানির লাইন স্থাপন করা হবে।" — মাগুরা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান বারি

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মাগুরা পৌরসভার শিমুলিয়া এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান বারি, সজীব আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ কোটি টাকা (প্রকল্প ব্যয়), ৪ হাজার ২০০ (গ্রাহক), ১০০ কিলোমিটার (সরবরাহ লাইন), ৩৫০ ঘনমিটার (পানি শোধন ক্ষমতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖