📌 বাংলাদেশে ১৮ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে ডিজিটাল আইডি চালু করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। তিনি জাতিসংঘের একটি অনুষ্ঠানে বলেছেন, ডিজিটাল আইডি সরকারি সেবার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে এবং এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে
বাংলাদেশে ডিজিটাল আইডি চালু করার সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। তিনি জানিয়েছেন, ১৮ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে দেশে ডিজিটাল পরিচয় ব্যবস্থা চালু করা হবে। এ লক্ষ্যে সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার নির্মাণের কাজে এগিয়ে যাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৮-২৪ মাসের মধ্যে** বাংলাদেশে ডিজিটাল আইডি চালু হবে বলে ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ
- 📌 ডিজিটাল আইডি **গভর্নমেন্ট সেবার কেন্দ্রবিন্দু** হয়ে উঠবে এবং সরকারি বিভিন্ন সেবা পাওয়ার প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে
- 📌 **কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক ডিজিটাল অবকাঠামো** নির্মাণের কাজে এগিয়ে বাংলাদেশ, যা নিরাপদ ও বিশ্বস্ত ডিজিটাল পরিচয় ব্যবস্থা তৈরি করবে
- 📌 **জাতিসংঘের অনুষ্ঠানে** বাংলাদেশ একমাত্র এশিয়া-প্যাসিফিক প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিল এবং আন্তর্জাতিক ডিজিটাল অবকাঠামো নিয়ে আলোচনা করে
- 📌 **এস্তোনিয়ার এক্স-রোড মডেল** অনুসরণ করে বাংলাদেশ সরকারি তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলছে
- 📌 **রুয়ান্ডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন**ের মতো দেশগুলো ডিজিটাল পরিচয় ওয়ালেট চালু করেছে, যা আন্তর্জাতিক সীমান্তপারেও কাজ করবে
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের একটি উচ্চপর্যায়ের পার্শ্ব অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বাংলাদেশের ডিজিটাল আইডি প্রকল্পের সময়সীমা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ ও উচ্চমানের ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং ডিজিটাল আইডি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছি।’ উপদেষ্টা জানান, ডিজিটাল আইডি শুধু বাংলাদেশের নয়, ভবিষ্যতে এটি সরকারি সেবার একটি বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের আন্তর্জাতিক সংযোগ ও নিরাপত্তার বিষয়ে আলোচনা করেন। রেহান আসিফ আসাদ বলেন, ‘আমরা এই প্রকল্পে সময় লাগবে, কোনো শর্টকাট নেই। তবে আমরা আমাদের ভবিষ্যতের ভিত্তি তৈরি করছি।’ তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ এস্তোনিয়ার এক্স-রোড মডেলের মতো নিরাপদ তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়।
আলোচনায় রুয়ান্ডা, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হয়। রুয়ান্ডা সরকারি সেবা গ্রহণে ডিজিটাল আইডি ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে, যেখানে নাগরিকরা সরকারি দপ্তরে যাওয়ার প্রয়োজন কমিয়ে দিতে পারবেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নও ডিজিটাল পরিচয় ওয়ালেট চালু করার পরিকল্পনা করেছে, যা আন্তর্জাতিক সীমান্তপারেও কাজ করবে।
"আমরা বিশ্বের সবচেয়ে ভালো ও নিরাপদ ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং ডিজিটাল আইডি বাস্তবায়ন করতে চাই। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দেশের সর্বোত্তম চর্চা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশ ডিজিটাল আইডি এবং বৃহত্তর ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরির কাজ শুরু করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (জাতিসংঘ অনুষ্ঠান), বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেহান আসিফ আসাদ (প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮-২৪ মাস (ডিজিটাল আইডি চালু করার সময়সীমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!