📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:২০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গামা রশ্মি কেন্দ্র উদ্বোধন: কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল ১২ মাস পর্যন্ত বাড়বে

গামা রশ্মি কেন্দ্র উদ্বোধন: কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল ১২ মাস পর্যন্ত বাড়বে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক কেন্দ্র গাজীপুরের ভবানীপুরে গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল ১২ মাস পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব হবে এবং অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে

গাজীপুরের ভবানীপুরে শনিবার বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) আঞ্চলিক গবেষণাকেন্দ্রে গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র (গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার) উদ্বোধন করা হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল ১২ মাস পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাজীপুরের ভবানীপুরে বাংলাদেশ-চীন অংশীদারত্ব প্রকল্পের আওতায় গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়।
  • 📌 কেন্দ্রের সক্ষমতা ৫০০ কেসিআই এবং এটি কোবাল্ট-৬০-এর তেজস্ক্রিয়তা ব্যবহার করে তৈরি।
  • 📌 ৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কেন্দ্র প্রতিবছর ৫৬ হাজার ৫০০ টন পণ্যের সংগ্রহোত্তর ক্ষতি কমাবে এবং ৫৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা সাশ্রয় হবে।
  • 📌 গামা রশ্মি বিকিরণের মাধ্যমে আম ও কলার সংরক্ষণকাল ১০ থেকে ২১ দিন এবং পেঁয়াজ ও আলুর ছয় মাস, রসুনের ১২ মাস পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।
  • 📌 মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, রপ্তানি বাড়াতে এই কেন্দ্র একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।
  • 📌 জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং বাংলাদেশ আণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ সহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক গবেষণাকেন্দ্র গাজীপুরের ভবানীপুরে গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়। এই কেন্দ্রটি বাংলাদেশ-চীন অংশীদারত্ব প্রকল্পের আওতায় নির্মিত হয়েছে এবং তিন একর জমির ওপর গড়ে উঠেছে। কেন্দ্রের সক্ষমতা ৫০০ কেসিআই এবং এটি কোবাল্ট-৬০-এর তেজস্ক্রিয়তা ব্যবহার করে তৈরি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়াতে এই কেন্দ্র একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। তিনি আরও জানান, মৌসুমে উৎপাদিত গাজর ও ক্যাপসিকামের মতো সবজি যদি বেশি দিন সংরক্ষণ করা যায়, তাহলে তা অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে। বৈশ্বিক বাজারে আম, কাঁঠাল ও আনারসের চাহিদা রয়েছে। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে দেশি এসব ফল আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানিযোগ্য করে তোলা গেলে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে।

বিনার মহাপরিচালক শরিফুল হক ভুঁইয়া জানান, ৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কেন্দ্র প্রতিবছর ৫৬ হাজার ৫০০ টন পণ্যের সংগ্রহোত্তর ক্ষতি কমাবে। এর মাধ্যমে সাশ্রয় হবে কমপক্ষে ৫৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। তিনি আরও বলেন, গামা রশ্মি প্রয়োগের মাধ্যমে আম ও কলার ‘শেলফ লাইফ’ বা সংরক্ষণকাল ১০ থেকে ২১ দিন, পেঁয়াজ ও আলুর ছয় মাস এবং রসুনের ক্ষেত্রে ১২ মাস পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।

গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এসএম রফিকুল ইসলাম বলেন, গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে কৃষিপণ্যের পাশাপাশি মেডিক্যাল সরঞ্জাম শতভাগ জীবাণুমুক্ত করার জন্যও এটি সবচেয়ে ভালো উপায়। তিনি কেন্দ্রটিকে বহুমুখীভাবে ব্যবহারের কথা বলেন। কৃষি সচিব মো. সেলিম খান বলেন, এই কেন্দ্রের গবেষণা ও সেবার সঙ্গে কৃষক, কৃষক সংগঠন, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকারী শিল্প উদ্যোক্তা ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মতো অংশীজনদের অবশ্যই সম্পৃক্ত করতে হবে।

"আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়াতে গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।"
"মৌসুমে উৎপাদিত গাজর ও ক্যাপসিকামের মতো সবজি যদি বেশি দিন সংরক্ষণ করা যায়, তাহলে তা অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজীপুরের ভবানীপুর, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, বিনার মহাপরিচালক শরিফুল হক ভুঁইয়া, সংসদ সদস্য এসএম রফিকুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ মাস (সংরক্ষণকাল), ৫০০ কেসিআই (সক্ষমতা), ৮৯ কোটি টাকা (ব্যয়), ৫৬ হাজার ৫০০ টন (পণ্য), ৫৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা (সাশ্রয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖