📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৩৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্যাংক খাতের ৩৭ বছরের কর্মজীবনে সৈয়দ মাহবুবুর রহমান দেখেছেন অর্থনীতির অদৃশ্য মন্দা: কীভাবে বাঁচবেন বাংলাদেশ?

ব্যাংক খাতের ৩৭ বছরের কর্মজীবনে সৈয়দ মাহবুবুর রহমান দেখেছেন অর্থনীতির অদৃশ্য মন্দা: কীভাবে বাঁচবেন বাংলাদেশ?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাংক খাতের অবনতি, খেলাপি ঋণ, রাজনৈতিক প্রভাব ও জ্বালানির সংকট নিয়ে সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের বিশ্লেষণ। সরকারি ও রাজনীতিবিদদের ৭০-৭৫% ঋণই দেশের অর্থনৈতিক সংকটের মূল কারণ

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাংক খাতের অবনতি, খেলাপি ঋণের বেড়ে যাওয়া, জ্বালানির সংকট ও বৈদেশিক মুদ্রার তীব্র চাপ নিয়ে সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের বিশ্লেষণ আজ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ৩৭ বছরের ব্যাংকিং কর্মজীবনে প্রথমবারের মতো তিনি অর্থনীতিতে মন্দার লক্ষণ দেখছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **খেলাপি ঋণের অঙ্ক ৬ লাখ কোটি টাকার উপরে** — ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের অধিগ্রহণের পর থেকে ব্যাংক খাতের অবনতি ঘটেছে। এখন ৭০-৭৫% ঋণ নেওয়া হয়েছে সরকারি ও রাজনীতিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ১০-১২টি ব্যাংক থেকে।
  • 📌 **জ্বালানির সংকট ও প্রকল্পের ব্যর্থতা** — ঢাকা-গাজীপুর বিআরটি প্রকল্পের নকশা ভুল হওয়ায় বাতিল করা হয়েছে। কর্ণফুলী টানেলের অর্থনৈতিক সুফল এখনো আসেনি।
  • 📌 **রাজস্ব আয় ৭% এর নিচে** — কর-জিডিপির অনুপাত ৭% এর নিচে নেমে গেছে। সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা সমন্বয় না হওয়ায় পরিচালন ব্যয় মেটাতে ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হচ্ছে।
  • 📌 **রেমিট্যান্সের ৩০% আসে সৌদি আরব থেকে** — দেশটির অর্থনৈতিক শ্লথতা লেনদেনের ভারসাম্যে বড় চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
  • 📌 **৬২ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের গতি শ্লথ** — ঋণগ্রহীতার যাচাই-বাছাইতে ব্যাংকগুলোর ২-৩ মাস লাগে। তাই রাতারাতি ঋণ বিতরণ সম্ভব নয়।

📰 বিস্তারিত

সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে খারাপের দিকে যাচ্ছিল। কোভিড-১৯ মহামারি (২০২০), রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ধাক্কা পেয়েছে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা। তবে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে ব্যাংক খাতের। বিশেষ করে ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের জোরপূর্বক অধিগ্রহণের পর থেকে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে এগিয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, একসময় খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল মাত্র ২২ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু বর্তমানে তা ৬ লাখ কোটি টাকার উপরে ছাড়িয়ে গেছে। এসব ঋণের মধ্যে ৭০-৭৫% ঋণ নেওয়া হয়েছে সরকারি ও রাজনীতিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ১০-১২টি ব্যাংক থেকে। এসব ঋণের বিপরীতে পর্যাপ্ত জামানত না থাকায় অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

অর্থনীতির আরেকটি বড় সমস্যা হলো জ্বালানির সংকট। দীর্ঘদিন ধরে দেশে গ্যাস অনুসন্ধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। কৃত্রিমভাবে জিডিপি ও বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি দেখানো হলেও ঋণের অর্থ কোথায় গেছে, তার জবাবদিহি ছিল না। উদাহরণস্বরূপ, ঢাকা-গাজীপুর বিআরটি প্রকল্পে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পর জানা গেল নকশাই ঠিক ছিল না। ফলে প্রকল্পটি বাতিল করা হয়েছে। কর্ণফুলী টানেল নির্মাণের অর্থনৈতিক সুফলও এখনো আসেনি। এসব ক্ষেত্রে কাউকে জবাবদিহির আওতায় আনা হয়নি।

সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেছেন, অর্থ পাচারের কারণে গত সরকারের শেষ দিকে বৈদেশিক মুদ্রার তীব্র সংকট দেখা দেয় এবং রিজার্ভ কমতে থাকে। কর্মসংস্থানও তেমন বাড়েনি। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের সংস্কার উদ্যোগের ফলে ডলার বাজার স্থিতিশীল হয়েছে। তবে এসব সংস্কার সম্পন্ন করতে আরও পাঁচ বছর লাগবে। এরপর অর্থনীতিতে সুফল আসতে পারে।

"আমাদের অন্যতম দুর্বলতা রাজস্ব খাত। কর-জিডিপির অনুপাত ৭ শতাংশের নিচে নেমেছে। সরকারের নিজস্ব আয় দিয়ে পরিচালন ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা সমন্বয়ের প্রয়োজন ছিল, কিন্তু রাজস্ব আয় না থাকায় পরিচালন ব্যয়ের জন্য ব্যাংক থেকে বিপুল ঋণ নিতে হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, গাজীপুর, রাশিয়া, ইউক্রেন, সৌদি আরব
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ মাহবুবুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৭ বছর, ২২ হাজার কোটি টাকা, ৬ লাখ কোটি টাকা, ৭০-৭৫%, ১০-১২টি ব্যাংক, ৬২ হাজার কোটি টাকা, ৩০%

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖