📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৫০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

থাইল্যান্ডে ওষুধ ও পাট রপ্তানি বাড়াতে বাংলাদেশের নতুন উদ্যোগ: বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর লক্ষ্যে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব

থাইল্যান্ডে ওষুধ ও পাট রপ্তানি বাড়াতে বাংলাদেশের নতুন উদ্যোগ: বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর লক্ষ্যে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি ৭২ কোটি ডলারেরও বেশি। সরকার ওষুধ ও পাট রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোগ নিচ্ছে। ফরেন অফিস কনসালটেশনে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব তুলে ধরা হয়

থাইল্যান্ডের বাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৭২ কোটি ৮৭ লাখ ডলারে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার ওষুধ ও পাটপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে। গত শুক্রবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত চতুর্থ ফরেন অফিস কনসালটেশনে এই প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৪-২৫ অর্থবছরে থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের রপ্তানি ৬ কোটি ১৯ লাখ ডলার, আমদানি ৭৯ কোটি ৬ লাখ ডলার — বাণিজ্য ঘাটতি ৭২ কোটি ৮৭ লাখ ডলার
  • 📌 ওষুধ ও পাটপণ্যে রপ্তানি বাড়াতে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব তুলে ধরা হয়
  • 📌 থাইল্যান্ডের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ সহজ করার জন্য আমদানি শুল্ক ও নিয়ন্ত্রণ শর্ত কমানোর দাবি
  • 📌 থাইল্যান্ডের কারিগরি সহযোগিতা চেয়েছে ফল ও সবজি প্রক্রিয়াজাতকরণে
  • 📌 ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে থাইল্যান্ডের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর প্রস্তাব

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি মোকাবেলায় সরকার ওষুধ ও পাটপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোগ নিচ্ছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল মাত্র ৬ কোটি ১৯ লাখ ডলার। বিপরীতে থাইল্যান্ড থেকে আমদানি হয়েছিল ৭৯ কোটি ৬ লাখ ডলার। এর আগের অর্থবছরে (২০২৩-২৪) রপ্তানি ছিল ৬ কোটি ৪২ লাখ ডলার, আমদানি ৮৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে রপ্তানি ৭ কোটি ১৭ লাখ ডলার, আমদানি ৯৪ কোটি ৫২ লাখ ডলার। অর্থাৎ তিন বছর ধরে আমদানি কমলেও রপ্তানি বাড়েনি, বরং কমেছে।

গত শুক্রবার ঢাকার বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ফরেন অফিস কনসালটেশনে এই বিষয় আলোচিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম। থাইল্যান্ডের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব একসিরি পিন্তারুচি। বাংলাদেশের প্রস্তাব অনুযায়ী, ওষুধ ও পাটপণ্যে রপ্তানি বাড়াতে আমদানি শুল্ক কমানো এবং বাজার প্রবেশের নিয়ন্ত্রণ সহজ করা দরকার। এছাড়া ফল ও সবজি প্রক্রিয়াজাতকরণে থাইল্যান্ডের কারিগরি সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।

বৈশ্বিক হালাল খাদ্য বাজারে প্রবেশের লক্ষ্যে প্রযুক্তি বিনিময় ও প্রশিক্ষণে থাইল্যান্ডের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (টিকা) থেকে সহায়তা চাওয়া হয়েছে। এছাড়া জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা হয়। ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে থাইল্যান্ডের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর প্রস্তাব করা হয়।

"বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে ওষুধ ও পাটপণ্যে রপ্তানি বাড়ানোর জন্য আমদানি শুল্ক ও নিয়ন্ত্রণ শর্ত কমানোর প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। থাইল্যান্ডের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ সহজ করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (বাংলাদেশ), থাইল্যান্ড
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম, স্থায়ী সচিব একসিরি পিন্তারুচি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭২ কোটি ৮৭ লাখ ডলার (বাণিজ্য ঘাটতি), ৬ কোটি ১৯ লাখ ডলার (রপ্তানি), ৭৯ কোটি ৬ লাখ ডলার (আমদানি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖