📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:২০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের আর্থিক খাত সংস্কার প্রকল্পে ৪৫ কোটি ডলার ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের আর্থিক খাত সংস্কার প্রকল্পে ৪৫ কোটি ডলার ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষা ও তদারকি শক্তিশালী করার জন্য ৪৫ কোটি ডলার ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। প্রকল্পটি বাংলাদেশ ব্যাংক বাস্তবায়ন করবে এবং ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত চলবে

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষা ও তদারকি ব্যবস্থা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ৪৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই অর্থ দিয়ে ‘আর্থিক খাত সহায়তা প্রকল্প-২’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ৩২৮ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) — প্রায় ৪৫ কোটি মার্কিন ডলার — ঋণ দিচ্ছে
  • 📌 প্রকল্পের মেয়াদ: ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পাঁচ বছর
  • 📌 ঋণের সুদ: বছরে ১.৫ শতাংশ, উত্তোলন না করা অর্থের ওপর সর্বোচ্চ ০.৫০ শতাংশ প্রতিশ্রুতি ফি
  • 📌 ঋণ পরিশোধে পাঁচ বছর রেয়াতকালসহ মোট ২৫ বছর সময় দেওয়া হয়েছে
  • 📌 প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) এর মধ্যে এই ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে ইআরডি সচিব মো. শাহ্রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে বাংলাদেশ ও ভুটানের বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেম স্বাক্ষর করেন। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো দেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তদারকি বাড়ানো এবং ব্যাংক খাতের পুনর্গঠনে সহায়তা করা।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশকে ৩২৮ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) দেওয়া হবে, যা প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান। এই অর্থ দিয়ে আর্থিক খাতের সুরক্ষা ও তদারকি সক্ষমতা জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের বৃহত্তম বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পরিচিত এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অবকাঠামো এবং জ্বালানি খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অর্থায়ন করে আসছে।

ঋণ পরিশোধের শর্ত অনুযায়ী, উত্তোলিত অর্থের ওপর বছরে ১.৫ শতাংশ সুদ দিতে হবে। আর উত্তোলন না করা অর্থের ওপর সর্বোচ্চ ০.৫০ শতাংশ প্রতিশ্রুতি ফি ধার্য হতে পারে। ঋণ পরিশোধে পাঁচ বছর রেয়াতকালসহ মোট ২৫ বছর সময় পাওয়া যাবে। অর্থাৎ ঋণের অর্থ ছাড়ের পর নির্ধারিত রেয়াতকাল শেষে কিস্তিতে তা পরিশোধ করতে হবে।

"আর্থিক খাতের সুরক্ষা ও তদারকি সক্ষমতা জোরদার করার লক্ষ্যে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়, ঢাকা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ইআরডি সচিব মো. শাহ্রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী, বিশ্বব্যাংকের বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ, ৩২৮ মিলিয়ন এসডিআর, ১.৫ শতাংশ সুদ, ২৫ বছর ঋণ পরিশোধ মেয়াদ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖