📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রেমিট্যান্সের প্রণোদনা কাটে সরকার, এমএফএস খাতের ১.৮৫% চার্জে মায়ের হাত থেকে চলে ৩৮০ টাকা

রেমিট্যান্সের প্রণোদনা কাটে সরকার, এমএফএস খাতের ১.৮৫% চার্জে মায়ের হাত থেকে চলে ৩৮০ টাকা

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের ২.৫% সরকারি প্রণোদনা পেলেও এমএফএস খাতের ১.৮৫% চার্জে মায়ের হাতে ৩৮০ টাকা চলে যায়। সরকার প্রতি বছর ৭০০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে, কিন্তু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো হাতবদলের খরচে সাধারণ মানুষের টাকা কাটছে

বাংলাদেশের প্রবাসীরা দেশে পাঠানোর জন্য কষ্টসাধ্য অর্থের পেছনে সরকার রেমিট্যান্সের প্রণোদনা হিসেবে প্রতি টাকায় ২.৫% পর্যন্ত অর্থ প্রদান করছে। কিন্তু এই অর্থের পেছনে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) খাতের ১.৮৫% চার্জে প্রবাসীদের মায়ের হাতে ৩৮০ টাকা চলে যায়। সরকার প্রতি বছর ৭০০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে, কিন্তু এই অর্থের একাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো হাতবদলের খরচে কাটছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মালয়েশিয়া থেকে রেমিট্যান্স পাঠালে ২০ হাজার টাকা পেলেও এমএফএস চার্জে মায়ের হাতে ৩৮০ টাকা চলে যায়
  • 📌 সরকারের ২.৫% রেমিট্যান্স প্রণোদনা কাটে, এমএফএস খাতের ১.৮৫% চার্জে সাধারণ মানুষের টাকা কাটছে
  • 📌 প্রতি বছর ৭০০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে সরকার রেমিট্যান্সকে উৎসাহিত করছে, কিন্তু এমএফএস খাতের চার্জে এই অর্থের বড় অংশ কাটা হচ্ছে
  • 📌 বিকাশের ক্যাশ-আউট চার্জ ১৮ টাকা ৫০ পয়সা, নগদের ১৪ টাকা ৯৪ পয়সা, রকেটের ৯ টাকা, উপায়ের ১৪ টাকা
  • 📌 আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুযায়ী, ২৫ হাজার টাকা ক্যাশ আউট করতে বাংলাদেশে খরচ হয় ৩৭২ থেকে ৪৬২ টাকা

📰 বিস্তারিত

মালয়েশিয়ার কারখানায় কষ্টসাধ্য অর্থ কামিয়ে দেশে পাঠালেন এক প্রবাসী তরুণ। তার লক্ষ্য ছিল মায়ের হাতে বিশ হাজার টাকা পৌঁছানো। কিন্তু সরকারের রেমিট্যান্স প্রণোদনা এবং এমএফএস খাতের চার্জের কারণে মায়ের হাতে পৌঁছানো টাকার পরিমাণ অনেক কমে যায়। সরকারের ২.৫% প্রণোদনা পেলেও, এমএফএস খাতের ১.৮৫% চার্জে মায়ের হাতে ৩৮০ টাকা চলে যায়।

সরকার প্রতি বছর ৭০০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে রেমিট্যান্সের প্রণোদনা প্রদান করছে। কিন্তু এই অর্থের বড় অংশ এমএফএস খাতের চার্জে কাটা হচ্ছে। প্রবাসীরা দেশে পাঠানোর জন্য কষ্টসাধ্য অর্থের পেছনে সরকারের প্রণোদনা কাটে, কিন্তু এমএফএস খাতের চার্জে সাধারণ মানুষের টাকা কাটছে।

বিকাশের ক্যাশ-আউট চার্জ ১৮ টাকা ৫০ পয়সা, নগদের ১৪ টাকা ৯৪ পয়সা, রকেটের ৯ টাকা, উপায়ের ১৪ টাকা। এই চার্জগুলো আলাদাভাবে শুনলে খুব বেশি মনে হয় না, কিন্তু বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মেলালে এর আসল তীব্রতা বোঝা যায়। আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের মতে, ২৫ হাজার টাকা সমপরিমাণ অর্থ ক্যাশ আউট করতে বাংলাদেশে একজন গ্রাহকের খরচ হয় ৩৭২ থেকে ৪৬২ টাকা।

এমএফএস খাতের এই চার্জগুলো সাধারণ মানুষের জন্য একটি বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রবাসীরা দেশে পাঠানোর জন্য কষ্টসাধ্য অর্থের পেছনে সরকারের প্রণোদনা কাটে, কিন্তু এমএফএস খাতের চার্জে সাধারণ মানুষের টাকা কাটছে। এই চার্জগুলো কাটাকুটি করে সাধারণ মানুষের টাকা কাটছে, যা তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

"রাষ্ট্র পাইপের গোড়ায় কোটি কোটি টাকার সরকারি ভর্তুকি ঢালছে প্রাতিষ্ঠানিক পেমেন্টকে জনপ্রিয় করতে, আর পাইপের একদম শেষ মাথায় দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষের হাত থেকে চড়া হারে ভাড়া বা টোল আদায় করে নিচ্ছে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানগুলো।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (প্রবাসীরা মালয়েশিয়া থেকে রেমিট্যান্স পাঠান)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রবাসী তরুণ, প্রবাসীর মা, সাধারণ গ্রাহক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ হাজার টাকা (রেমিট্যান্স), ৩৮০ টাকা (চার্জ), ৭০০০ কোটি টাকা (ভর্তুকি), ৩২ বিলিয়ন ডলার (রেমিট্যান্স), ১৮ টাকা ৫০ পয়সা (বিকাশের চার্জ), ১৪ টাকা ৯৪ পয়সা (নগদের চার্জ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖