📌 বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জ্বালানি তেলের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। তিনি সরকারের নজিরবিহীন অদক্ষতা ও কর-শুল্কের কারণে জনগণের ওপর চাপ বাড়ানোর সমালোচনা করেছেন
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জ্বালানি তেলের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। তিনি সরকারের নজিরবিহীন অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে জনগণের ওপর নতুন বোঝা চাপানোর সমালোচনা করেছেন। সোমবার সন্ধ্যায় তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেছেন, “সরকারের নজিরবিহীন অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনার খেসারত আবারও দিতে হচ্ছে দেশের ১৮ কোটি মানুষকে। সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও সৃজনশীল বিকল্প খুঁজে বের করার পরিবর্তে সরাসরি জনগণের ওপর অসহনীয় বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।”
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাহিদ ইসলাম জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন এবং সরকারের কর-শুল্ক পুনর্বিন্যাসের আহ্বান করেছেন
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই তৃতীয় দফায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে
- 📌 সরকারের দাবি, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছে
- 📌 নাহিদ ইসলাম প্রশ্ন তুলেছেন, বর্তমান সংকটে নাগরিকদের ওপর চাপ কমাতে কর ও শুল্ক কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হলো না কেন?
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, সরকার জ্বালানির দাম বাড়িয়ে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করতে চাইছে
- 📌 নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা সরকারের অর্থনৈতিক চাপের সময়ে প্রশ্নের বিষয়
📰 বিস্তারিত
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পেছনে সরকারের যুক্তি সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, সরকার মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয়সহ নানা যুক্তি দেখাচ্ছে। তিনি প্রশ্ন করেছেন, “জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পেছনে সরকার মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয়সহ নানা যুক্তি দেখাচ্ছে। সরকারের দাবি, সাম্প্রতিক কয়েক মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, জ্বালানি তেল আমদানিতে সরকার ৩২ শতাংশ পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের কর ও শুল্ক আদায় করছে। বর্তমান সংকটের সময়ে নাগরিকদের ওপর চাপ কমাতে অন্তত সাময়িকভাবে এসব কর ও শুল্ক কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হলো না কেন?”
নাহিদ ইসলাম আরও উল্লেখ করেছেন, সরকার জ্বালানির দাম বাড়িয়ে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করতে চাইছে। অথচ নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে চলতি অর্থবছরে অতিরিক্ত ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন করেছেন, “মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং দেশের অর্থনীতির ওপর বাড়তে থাকা চাপের মধ্যেই নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নকে কেন এত জরুরি হয়ে পড়লো? মধ্যপ্রাচ্য সংকট সমাধান পর্যন্ত পে স্কেল কেন স্থগিত রাখা হলো না? যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক সংকটের অজুহাতে জনগণের ওপর বাড়তি বোঝা চাপানো সম্ভব হলে, রাষ্ট্রের অন্যান্য ব্যয় পুনর্বিন্যাস করে জনগণকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে না কেন?”
"সরকারের নজিরবিহীন অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনার খেসারত আবারও দিতে হচ্ছে দেশের ১৮ কোটি মানুষকে। সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও সৃজনশীল বিকল্প খুঁজে বের করার পরিবর্তে সরাসরি জনগণের ওপর অসহনীয় বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাহিদ ইসলাম (বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ কোটি (জনসংখ্যা), ৩২ শতাংশ (কর-শুল্ক), ১০ হাজার কোটি টাকা (সাশ্রয়), ৪৪ হাজার কোটি টাকা (পে স্কেল বরাদ্দ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!