📌 বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে শিল্পকারখানা ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে ডিজেলচালিত জেনারেটরের ব্যবহার ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপিসির সরবরাহ সীমাবদ্ধতার কারণে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় ডিজেলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পেট্রোল পাম্প মালিকদের সংগঠনের নেতারা।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ সংকটের কারণে দেশজুড়ে ডিজেলচালিত জেনারেটরের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় ডিজেলের চাহিদা অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহে ঘাটতির কারণে শিল্পকারখানা ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে ডিজেলচালিত জেনারেটরের ব্যবহার বৃদ্ধি
- 📌 রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় ডিজেলের চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বৃদ্ধি
- 📌 বিপিসির সরবরাহ সীমাবদ্ধতার কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে ডিজেল মজুত রাখতে অসুবিধা
- 📌 বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চিঠিতে বিপিসির প্রতি সরবরাহ বৃদ্ধির আহ্বান
📰 বিস্তারিত
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহে ব্যাপক ঘাটতি দেখা দেওয়ায় দেশের শিল্পকারখানা ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে ডিজেলচালিত জেনারেটরের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় ডিজেলের চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল।
গত শুক্রবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানকে পাঠানো এক চিঠিতে সংগঠনের নেতা জানান, বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি থাকায় মোট গ্যাসের চাহিদার প্রায় ২৫ শতাংশ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বড় শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুতের বিকল্প হিসেবে ডিজেলচালিত জেনারেটরের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে।
সংগঠনটির দাবি, ঢাকা বিভাগে ডিজেলের চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বিপিসি কর্তৃক বিপণন কোম্পানিগুলোকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল সরবরাহের সীমা নির্ধারণ করে দেওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অনেক এলাকায় পেট্রোল পাম্পগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী ডিজেল মজুত করতে পারছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এসি রুমে বসে সিদ্ধান্ত নেন, মাঠের অবস্থা জানেন না। লোডশেডিংয়ের কারণে ডিজেলের চাহিদা বেড়েছে। জেনারেটর চালাতে প্রচুর ডিজেল দরকার হয়। এখন চাহিদা বাড়লে তো সাপ্লাই বাড়াতে হবে; কিন্তু সেটি করা হচ্ছে না। সরবরাহ আগের মতোই আছে। তিনি আরও বলেন, গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া এলাকায় ডিজেলের চাহিদা বেশি। আগে যেখানে এসব পাম্পে দৈনিক চার-পাঁচ হাজার লিটার চাহিদা ছিল, সেখানে এখন বিশ হাজার লিটার চাহিদা হয়ে গেছে।
"মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এসি রুমে বসে সিদ্ধান্ত নেন, মাঠের অবস্থা জানেন না। লোডশেডিংয়ের কারণে ডিজেলের চাহিদা বেড়েছে। জেনারেটর চালাতে প্রচুর ডিজেল দরকার হয়। এখন চাহিদা বাড়লে তো সাপ্লাই বাড়াতে হবে; কিন্তু সেটি করা হচ্ছে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল (বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: গ্যাস সরবরাহ ঘাটতি ২৫ শতাংশ, গাজীপুর এলাকায় ডিজেল চাহিদা ২০ হাজার লিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!