📅 ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইরানের জ্বালানি সংকটে সরকার-আইআরজিসি দ্বন্দ্ব, কয়েক সপ্তাহেই শেষ হতে পারে মজুত

ইরানের জ্বালানি সংকটে সরকার-আইআরজিসি দ্বন্দ্ব, কয়েক সপ্তাহেই শেষ হতে পারে মজুত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইরানের কৌশলগত জ্বালানি মজুত ‘রেড অ্যালার্ট’ পর্যায়ে নেমে যাওয়ায় সরকার ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মধ্যে মতবিরোধ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান সরবরাহ হার অব্যাহত থাকলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে

ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান সরকার ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মধ্যে জ্বালানি সংকট নিয়ে মতবিরোধ প্রকট হয়ে উঠেছে। দেশটির কৌশলগত জ্বালানি মজুত ‘রেড অ্যালার্ট’ পর্যায়ে নেমে আসায় সরকার জরুরি ভিত্তিতে মজুত থেকে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে চাইলেও বিশেষজ্ঞরা এর বিরূপ পরিণতির বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইরানের কৌশলগত জ্বালানি মজুত কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সরকারি বিশেষজ্ঞরা।
  • 📌 দেশটিতে প্রতিদিন প্রায় ১২ কোটি লিটার পেট্রল উৎপাদিত হলেও চাহিদা রয়েছে প্রায় ১৩ কোটি ৫০ লাখ লিটার।
  • 📌 সরকারি তথ্যমতে, দৈনিক ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় দেড় কোটি লিটার।
  • 📌 ইরানের এনার্জি অপটিমাইজেশন অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক ম্যানেজমেন্ট অর্গানাইজেশনের প্রধান আলী আকবর সাঘাব এসফাহানিও গত ১৫ আগস্ট দৈনিক ১ কোটি ৪০ লাখ থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ লিটার ঘাটতির কথা জানান।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক অবরোধ ও রাশিয়ার তেল অবকাঠামোয় ইউক্রেনের হামলার কারণে ইরানের জ্বালানি আমদানি ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান সরকার ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মধ্যে জ্বালানি সংকট নিয়ে মতবিরোধ প্রকট হয়ে উঠেছে। দেশটির কৌশলগত জ্বালানি মজুত ‘রেড অ্যালার্ট’ পর্যায়ে নেমে আসায় সরকার জরুরি ভিত্তিতে মজুত থেকে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে চাইলেও বিশেষজ্ঞরা এর বিরূপ পরিণতির বিষয়ে সতর্ক করেছেন। সরকারি বিশেষজ্ঞদের একাংশ মজুত দ্রুত খালি করার পরিণতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও সরকার জনমনে উদ্বেগ কমাতে মজুত থেকে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে চাইছে।

বর্তমানে ইরানে প্রতিদিন প্রায় ১২ কোটি লিটার পেট্রল উৎপাদিত হলেও চাহিদা রয়েছে প্রায় ১৩ কোটি ৫০ লাখ লিটার। ফলে দৈনিক ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় দেড় কোটি লিটার। ইরানের এনার্জি অপটিমাইজেশন অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক ম্যানেজমেন্ট অর্গানাইজেশনের প্রধান আলী আকবর সাঘাব এসফাহানিও গত ১৫ আগস্ট দৈনিক ১ কোটি ৪০ লাখ থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ লিটার ঘাটতির কথা জানান। এর আগে আমদানির মাধ্যমে ঘাটতির প্রায় অর্ধেক পূরণ করা হতো, যার বড় অংশ আসত রাশিয়া থেকে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক অবরোধ, রাশিয়ার তেল শোধনাগার অবকাঠামোয় ইউক্রেনের হামলা এবং কাস্পিয়ান সাগরের সরবরাহপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইরানের জ্বালানি আমদানি ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

সংকট ইতিমধ্যে রাজধানী তেহরানেও পৌঁছেছে। জ্বালানি না থাকায় কিছু পেট্রলপাম্প বন্ধ হয়ে গেছে এবং আশপাশের প্রদেশ থেকে জ্বালানি এনে কয়েকটি স্টেশন পুনরায় চালু করা হয়েছে। তেহরানসহ আলবোরজ, দক্ষিণ খোরাসান ও রাজাভি খোরাসান প্রদেশে দীর্ঘ সারি এবং পেট্রলপাম্প বন্ধ থাকার খবর পাওয়া গেছে।

"বর্তমান হারে জ্বালানি উত্তোলন চলতে থাকলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই অবশিষ্ট মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। এতে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যাহত হলে বা আমদানি বন্ধ হয়ে গেলে দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইরান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাসুদ পেজেশকিয়ান, আলী আকবর সাঘাব এসফাহানিও
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ কোটি লিটার, ১৩ কোটি ৫০ লাখ লিটার, দেড় কোটি লিটার, ১৫ আগস্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖